আচরণ অমিত শাহের ভৃত্যের মতো! চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবকে নিশানা কল্যাণের
আচরণ অমিত শাহের ভৃত্যের মতো! চিঠিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবকে নিশানা কল্যাণের
বিজেপির ( bjp) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার (jp nadda) কনভয়ে হামলা নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিকে তলব করেছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। যা নিয়ে এবার পাল্টা আক্রমণের রাস্তায় হাঁটলেন তৃণমূল (trinamool congress) সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (kalyan banerjee) । বিষয়টি নিয়ে তিনি চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লাকে।

আইনশৃঙ্খলা রাজ্যের বিষয়
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবকে পাঠানো চিঠিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেছেন সংবিধান অনুসারে আইনশৃঙ্খলা রাজ্যের এক্তিয়ার ভুক্ত। তাই রাজ্যের তালিকা ভুক্ত কোনও বিষয়ে কি হস্তক্ষেপ করা যায়, প্রশ্ন করেছেন তিনি। পাশাপাশি তাঁর প্রশান রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে আলোচনার জন্য কীভাবে রাজ্যের দুই অফিসারকে তলব করা হল। কটাক্ষ করে তিনি বলেছেন, পুরো বিষয়টি পিছনে রাজনৈতিকর অভিসন্ধি রয়েছে।

অমিত শাহের ভৃত্যের মতো আচরণ
পাশাপাশি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠিতে আক্রমণ শানিয়ে বলেছেন, অমিত শাহের ভৃত্যের মতো আচরণ করবেন না। তিনি বলেছেন, বিজেপি নেতা ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশে বিপজ্জনকভাবে সব আইনকে নদীর জলে ছুড়ে ফেলা হচ্ছে। পরোক্ষে বাংলায় জরুরি অবস্থা জারির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এই তৃণমূল সাংসদ। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, সব আইএএস ও আইপিএস অফিসারকে তটস্থ করা রাখা হয়েছে। প্রতি পদক্ষেপে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, তিনি কিংবা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। রাজ্য থেকে তিন আইপিএস অফিসারকে সরানো নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কল্যাণ। তিনি বলেছেন, ওই তিন আইপিএস অফিসারকে সরিয়ে তাঁদের ওপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে। অমিত শাহের কথা মতো আধিকারিকরা নিজেদের হাতে আইন তুলে নিচ্ছেন। যা লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

চিঠিতে রাকেশ সিং-এর উল্লেখ
জেপি নাড্ডার কনভয়ে হামলার পর তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল দুষ্কৃতী নিয়ে ঘুরছেন জেপি নাড্ডা। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন কনভয়ে রাকেশ সিং-এর থাকাটাই ইন্ধন জুগিয়েছিল। রাস্তার পাশে যেসব মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল, তাঁদের প্রতি রাকেশ সিং কুরুচিকর মন্তব্য করেছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের পাঠানো চিঠিতে রাকেশ সিং-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশ্ন করেছেন, প্রশাসনকে না জানিয়ে কীভাবে ৫০ টি মোটর সাইকেল এবং ৩০ টি গাড়ি নাড্ডার কনভয়ের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়। চিঠিতে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেছেন রাকেশ সিং-এর বিরুদ্ধে ৫৯ টি মামলা রয়েছে।

পর্যাপ্ত নিরাপত্তার উল্লেখ
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিবকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, নাড্ডার ডায়মন্ডহারবার সফরে ছিলন ৪ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, আটজন ডিএসপি, ৩০ জন অফিসার, ৪০ জন র্যাফ, ১৪৫ জন কনস্টেবল এবং ৩৫০ জন সিভিক ভলান্টিয়ার।












Click it and Unblock the Notifications