তৃণমূলের সাহস নেই মানুষের দুয়ারে যাওয়ার, বিজেপির সঙ্গে একই বন্ধনীতে রেখে নিশানা সেলিমের
তৃণমূল কংগ্রেস সরকারি ব্যবস্থা ও কর্মসূচিকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ করলেন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম। একইসঙ্গে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর যোগসাজোশ রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। শুক্রবার মুজাফ্ফর আহমদ ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি ও তৃণমূলকে এক যোগে নিশানা করেন তিনি।

তৃণমূল কংগ্রেসের সাহস নেই মানুষের দুয়ারে যাওয়ার
সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, সরকারি কর্মসূচিকে এবং সরকারি ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ ব্যবহার করছে তৃণমূল। কারণ তৃণমূল কংগ্রেসের সাহস নেই মানুষের দুয়ারে যাওয়ার। তাই সরকারি ব্যবস্থাকে এবং সরকারি কর্মসূচিকে ব্যবহার করে তৃণমূল প্রচার করছে। এবং তার ফায়দা লুটছে।

বিজেপি ও তৃণমূল যাচাই করতে চায় না নিজেদের
তিনি বলেন, আমরা শুধু একথা বলছি না, চ্যালেঞ্জও দিচ্ছি। তৃণমূল কংগ্রেস পারলে চ্যালেঞ্জ নাও এবং নির্বাচনের ডাক দাও। তাঁর কথায়, অ্যাসেম্বলিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে যে বৈঠক হয়েছিল, তাতে ঠিক হয়েছিল ২০২৪ এ লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি ও তৃণমূল যাচাই করতে চায় না নিজেদের।

সংবিধান মেনে নির্বাচন করুন, দাবি তুললেন সেলিম
মহম্মদ সেলিম বলেন, এই কারণে পঞ্চায়েত এবং উপনির্বাচনগুলি করতে চায় না তৃণমূল কংগ্রেস। এখন নির্বাচন করলে সাগরদিঘি হবে, তা তৃণমূল ভালো মতোই জানে। আমরা চাই সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন হোক। আর এই নির্বাচন হোক রাজ্য নির্বাচন কমিশন আইন মেনে। সংবিধান মেনে নির্বাচন করুন, এমনই দাবি তুললেন সেলিম।

একটা দুর্নীতি তন্ত্রকে তৈরি করা হয়েছে রাজ্যে, অভিযোগ সেলিমের
মহম্মদ সেলিম আরও বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস চুরি করেছে বলে তাদের চোর বলা হচ্ছে না, তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার চৌর্যবৃত্তিকে মান্যতা দিয়েছে, সেই কারণেই বলা হচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস চোর। এই দলটার উপর থেকে নীচ পর্যন্ত চোর। একটা দুর্নীতি তন্ত্রকে তৈরি করা হয়েছে রাজ্যে। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক তৃণমূলের বিরুদ্দে দুর্নীতি ইস্যুতে গর্জে উঠলেন।

মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল, কড়া বার্তা সেলিমের
এদিন ডিএ নিয়েও সেলিম একহাত নেন তৃণমূল সরকারকে। এ রাজ্যে শিক্ষকের এবং কর্মচারীদের বকেয়া রয়েছে। একদিন নয় দশ বছর ধরে তা মেটানোর মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল। দশ বছর ধরে বঞ্চিত থাকার পরে তারা আজ আন্দোলনে।

মানুষ যখন নিজের হকের দাবিতে রাস্তায় নামে
সেলিম বলেন, মানুষ যখন নিজের হকের দাবিতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে চোর তাড়াতে ঐক্যবদ্ধভাবে রাস্তায় নামছে, সরকারি কর্মচারী হোক বা পঞ্চায়েত কর্মচারী বা শিক্ষক অধ্যাপক যিনিই হন, কিংবা ১০০ দিনের কাজের টাকার জন্য লড়াই করছে রাস্তায় নেমে, তাঁদেরেকে সমর্থন জানাতেই হবে।

বিশাল একটি দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় তারা
সেলিম অভিযোগ করেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যে নতুন করে আগুন লাগাতে চাইছে বিজেপি ও তৃণমূল। বিভাজনের পলিটিক্স বিজেপি এবং তৃণমূল উভয় মিলে করচে। হাওড়ার শিবপুরে অশান্তি ছড়ানো হয়েছে পরিকল্পিত উপায়ে, এমন বিশাল একটি দাঙ্গা পরিস্থিতি তৈরি করতে চায় তারা।
আইপিএলের সব খবরের আপডেট, স্কোর, স্ট্যাটিসটিক্স, ছবি, ভিডিও একনজরে












Click it and Unblock the Notifications