Mamata Banerjee: বিনীত নিজেই পদত্যাগ করতে এসেছিল! কিন্তু কেন করলেন না? বড় ইঙ্গিত মমতার
Mamata Banerjee on Kolkata CP: আরজি কর হাসপাতালের (RG Kar Hospital Doctor Death) ঘটনার পরেই প্রশ্নের মুখে কলকাতা পুলিশের ভূমিকা! কমিশনার পদ থেকে বিনীত গোয়েলের পদত্যাগের দাবি উঠছে। আর এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
তিনি বলেন, নিজে থেকেই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন। এজন্য একাধিকবার বিনীত গোয়েল দেখা করতে এসেছিলেন বলেও এদিন মন্তব্য করেন প্রশাসনিক প্রধান। একই সঙ্গে রাত দখলের পথ থেকে মানুষকে পুজোয় ফেরার আহ্বান জানান তিনি।আর এহেন মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক (Mamata Banerjee on Kolkata CP) ।

খোদ মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়ে কীভাবে এহেন মন্তব্য করতে পারেন তা নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করেন। আরজি করে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় একেবারে উত্তাল কলকাতা সহ বাংলা। দিন তো বটেই, একের পর এক রাত দখলের ডাক দিয়ে পথে নামছেন মহিলারা। দেশ তো বটেই বিদেশের মাটিতেই আরজি কর কাণ্ডের রেশ ছড়িয়ে পড়েছে।
তীব্র হচ্ছে প্রতিবাদ। এই প্রেক্ষাপটে এদিন প্রশাসনিক বৈঠকে ডাক দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সভাঘরে এই বৈঠক হচ্ছে। এদিনের এই বৈঠকের শুরুতেই আরজি কর নিয়ে মুখ খোলেন মুখ্যমন্ত্রী। স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টাকা দেওয়ার দাবি একেবারে মিথ্যা।
একই সঙ্গে কলকাতা পুলিশ কমিশনারের যে পদত্যাগের দাবি উঠছে তা নিয়েও মুখ খোলেন। বলেন, কলকাতার পুলিশ কমিশনার পদত্যাগ করার জন্য নিজে অনেক বার আমার কাছে এসেছেন । কিন্তু সবকিছু চাইলেই তো হয় না। মুখ্যমন্ত্রীর কথা অনুযায়ী, সামনেই পুজো আছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষার একটা ব্যাপার আছে। কিছু দিন ধৈর্য্য ধরলে কী মহাভারত অশুদ্ধ হয়! প্রশ্ন খোদ পুলিশমন্ত্রীর।
বলে রাখা প্রয়োজন, ঘটনর পর থেকে কলকাতা পুলিশের বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। বিশেষ করে ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করা থেকে শুরু করে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এমনকি সুপ্রিম কোর্টেও সমালোচিত হয়েছে কলকাতা পুলিশের ভূমিকায়। এই অবস্থায় গত কয়েকদিন আগে জুনিয়ার ডাক্তাররা লালবাজার অভিযান করে।
দীর্ঘ ২২ ঘণ্টা ধরে ধর্না চলে। শেষমেশ খোদ কলকাতা পুলিশ কমিশনারের হাতেই জুনিয়ার ডাক্তাররা তাঁর পদত্যাগের দাবি তুলে দিয়ে আসেন। আর এরপরেই এদিনের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিন রাত দখল নিয়েও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, প্রত্যেকদিন রাতে এভাবে রাস্তায় থাকলে মানুষের সমস্যা হচ্ছে। বয়স্ক মানুষ আছে, ঘুমের সমস্যা হয়। এই বিষয়ে দুষণ পর্ষদের নিয়মের উল্লেখ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, রাত ১০টার পর মাইক বাজানো নিয়ে দুষণ পর্ষদের নিয়ম আছে। কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
পুলিশ পাহাড়া দিচ্ছে। এরপরেও আঘাত হানা হচ্ছে। কিন্তু এক মাস হয়ে গেল, উৎসবে ফিরে আসুন। পুজোয় ফিরুন।বাংলার বদনাম করা হচ্ছে। বাংলার খেয়ে দেয়ে, মানুষ হয়ে বাইরে গিয়ে বাংলার বদনাম করছে। একতরফা ভাবে করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ কখনই বাংলাদেশ হবে না বলেও এদিন বার্তা প্রশাসনিক প্রধানের। একই সঙ্গে এদিন বাম এবং বিজেপিকেও আক্রমণ শানান।












Click it and Unblock the Notifications