রামপুরহাট-কাণ্ডের তদন্তের গতিপ্রকৃতি কোন পর্যায়ে? জরুরি বৈঠকে মমতা
রামপুরহাট-কাণ্ডের প্রায় ২৪ ঘন্টা কাটতে চলেছে। কিন্তু গোটা এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক আজও। আর এরমধ্যেই আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল সরজমিনে পরিদর্শন করতে যাচ্ছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। আর সেখানে যাওয়ার আগে
রামপুরহাট-কাণ্ডের প্রায় ২৪ ঘন্টা কাটতে চলেছে। কিন্তু গোটা এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক আজও। আর এরমধ্যেই আগামীকাল বৃহস্পতিবার ঘটনাস্থল সরজমিনে পরিদর্শন করতে যাচ্ছেন রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান। আর সেখানে যাওয়ার আগে তদন্তের গতিপ্রকৃতির বিষয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা করলেন তিনি।

আর সেই কারণে নবান্নে ঢুকেই জরুরি বৈঠকে বসলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার নেতাজি ইন্ডোরে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি। সেখান থেকে ফিরেই জ্ঞানবন্ত সিংকে ফোন করেন। মূলত ২৪ ঘন্টা ভয়াবহ ঘটনার তদন্তে কি উঠে আসছে সে বিষয়েই বিস্তারিতা আলোচনা করতেই এই ফোনালাপ জানা যাচ্ছে।
শুধু তাই নয়, কেন আগুন লাগল, আগুন লাগার আসল কারন কি এই সমস্ত বিষয়ে জানার চেষ্টা করেন রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী। অন্যদিকে নিজের ঘরে রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবওকেও ডেকে নেন মমতা। আসেন উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরাও। মূলত পরবর্তী পর্যায়ে আলোচনা করতেই এহেন বৈঠক বলে জানা যাচ্ছে।
এদিন নেতাজি ইন্ডোর থেকে রামপুরহাট-কাণ্ড নিয়ে মুখ খোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, ঘটনার পর থেকে অন্তত ৫০ বার রামপুরহাটে ফোন করেছি। শুধু তাই নয়, সঙ্গে সঙ্গে ফিরহাদ হাকিমকে পাঠানো হয়েছে,। ডিজি নিজে ঘটনাস্থলে পড়ে রয়েছেন। সিট গঠন করা হয়েছে।
শুধু তাই নয়, এদিন প্রশাসনিক প্রধান আরও বলেন, আমরা কখনও অ্যাকশন নিতে কালার দেখি না। হাতের পাঁচটা আঙুল সমান হয় না। যদি আমাদের দলের কেউ এই ভয়ঙ্কর ঘটনায় জড়িত থাকেন, তবে তাঁকেও যথাযথ শাস্তি দেওয়া হবে বলেও দাবি তাঁর। একই সঙ্গে রামপুরহাটের ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক বলেও ব্যাখ্যা করেন মমতা।
বলেন, কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে, তা জানতে সিট গঠন করা হয়েছে। যে সমস্ত পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা সামনে এসেছে, তাদের সঙ্গে সঙ্গে ক্লোজড করা হয়েছে। কোনও অন্যায় মানা হবে না বলেও হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর। তবে এই ঘটনা কিছুটা হলেও অস্বস্তি বেড়েছে শাসকদলের তা মেনে নিচ্ছেন অনেকেই।
তবে তৃণমূলের দাবি, এই ঘটনার পিছনে বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে। বাংলাকে এবং তৃণমূল অশান্ত করার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি শাসকদল তৃণমূলের। তাঁদের দাবি, কোনও ইস্যু নেই বাংলায়। আর এহেন অশান্তি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী বাংলায় ঢোকাতে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তৃণমূলের। তবে রামপুরহাট ইস্যুতে নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এহেন বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications