বগটুই হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালন শেখের মৃত্যু সিবিআই হেফাজতে, কারণ নিয়ে ধন্দ
বগটুই হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালল শেখের মৃত্যু সিবিআই হেফাজতে, কারণ নিয়ে ধন্দ
বগটুই হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালল শেখের মৃত্যু হল সিবিআই হেফাজতে। সোমবার রামপুরহাটে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে তাঁর মৃত্যু হয়। ছ-দিনের হেফাজতের পর ফের তাঁকে তিনদিনের হেফাজতে নিয়েছিল সিবিআই। এই তিনদিনের হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। সিবিআই হেফাজতে তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সিবিআই পুলিশকে জানিয়েছে আত্মহত্যা করেছে লালন।

বগটুই হত্যাকাণ্ডে মূল অভিযুক্ত লালল শেখের মৃত্যু হল সিবিআই হেফাজতে। সোমবার রামপুরহাটে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে তাঁর মৃত্যু হয়। ছ-দিনের হেফাজতের পর ফের তাঁকে তিনদিনের হেফাজতে নিয়েছিল সিবিআই। এই তিনদিনের হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। সিবিআই হেফাজতে তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। সিবিআই পুলিশকে জানিয়েছে আত্মহত্যা করেছে লালন।
হেফাজতে মৃত্যু একটা স্পর্শকাতর বিষয়। ২২ মার্চ রাতে বীরভূমের রামপুরহাটের বগটুইগ্রামে ১০ জনকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তার আগের দিন অর্থাৎ ২১ মার্চ বগটুইয়ে তৃণমূলের উপপ্রধান ভাদু শেখকে খুন করা হয়েছিল। ভাদু শেখ খুনের পর ১০ জনকে পুড়িয়ে মারার ঘটনায় লালন শেখ ছিল মূল অভিযুক্ত। লালন শেখ তৃণমূলের উপপ্রধান ভাদু শেখের ঘনিষ্ঠ নেতা হিসেবেই পরিচিত ছিল। তদন্তকারীরা মনে করেন, ভাদু শেখ খুনের পর বদলা নিতেই ১০ জনকে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল।
এরপর বগটুই-কাণ্ডে ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হলেও মূল অভিযুক্ত লালন শেখকে গ্রেফতার করা যায়নি। তিনি পালিয়ে যান ঘটনার পর। সে কারণে তার নাগাল পাওয়া যায়নি। অবশেষে বগটুই হত্যাকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখকে বীরভঊম লাগোয়া ঝাড়খণ্ডের পাকুড় থেকে গ্রেফতার করা হয় ঘটনার প্রায় ৯ মাস পর। ৪ ডিসেম্বর তাঁকে গ্রেফতারের পর সিবিআই তাঁকে হেফাজতে নিয়েছিল। প্রথমবার হেফাজতের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর দ্বিতীয়বার তিনদিনের মেয়াদে নিজেদের হেফাজতে নেয় সিবিআই।
এই তিনদিনের হেফাজতে থাকাকালীন তার মৃত্যু হয়। কিন্তু কী কারণে তার মত্যু হল, তার কি কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল, শারীরিক সমস্যা থাকলে বা তৈরি হলে সিবিআই কেন এ ব্যাপারে কিছু জানতে পারল না? নাকি হেফাজতে অভিযুক্তের উপর শারীরিক ও মানসিক অত্যাচারের কারণে তাঁর মৃত্যু হল, সেই প্রশ্ন সঙ্গত কারণেই উঠে পড়ছে।
সিবিআই হেফাজতে বগুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখরে মৃত্যুর পর তৃণমূল অভিযোগ করেছে, কী করে সিবিআই হেফাজতে থাকাকালীন একজন অভিযুক্তের মৃত্যু হল। এই দায় এড়াতে পারে না কেন্রীাজয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেইসঙ্গে এ প্রশ্ন তাঁরা তুলছেন, লালন শেখরে মৃত্যু শুভেন্দু অধিকারীর ১২ ডিসেম্বরের এফেক্ট নয় তো?
কেন্রীতুয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের বিরুদ্ধে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখন বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তদন্ত প্রভাবিত করতে বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখকে খুন করা হল না তো? এই অবস্থায় সিবিআই জানিয়েছে আত্মহত্যা করেছে লালন। সেখানেও দায়িত্ব এড়াতে পারে না সিবিআই। হেফাজতে থাকাকালীন এত গুরুত্বপূর্ণ মামলার একজন মূল অভিযুক্ত কী করে আত্মহত্যা করল, সে প্রশ্ন থেকেই যায়। একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠছে লালন শেখরে মৃত্যুকে কার লাভ হবে।












Click it and Unblock the Notifications