RG Kar Hospital:'উই ওয়ান্ট জাস্টিস', আইনজীবীদের মিছিলে সামিল হয়ে প্রতিবাদ সাংসদ কল্যাণের পুত্র-কন্যার
আরজি কর হাসপাতালের ঘটনার প্রতিবাদে গোটা শহর উত্তাল। সোমবার নজির বিহীন ভাবে কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীরা নেমেছিলেন রাস্তায়। কোনও রককম রাজনৈতিক পতাকা ছাড়াই কালো কোট পরে একেবারে আইনজীবীদের পোশাকে তাঁরা রাস্তায় প্রতিবাদ মিছিল করেন।
সেই প্রতিবাদ মিছিলে সকলের সঙ্গে হাঁটতে দেখা দিয়েছে সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী পুত্র-কন্যাকেও। এদিকে তৃণমূল সাংসদ চিকিৎসকদের এই ধর্মঘটকে একেবারেই সমর্থন করতে নারাজ। তিনি বুদ্ধিজীবীদের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন।

তিনি অভিযোগ করেছিলেন বুদ্ধিজীবীদের উস্কানিতেই এই সব হচ্ছে। তিনি কটাক্ষ করে বলেছিলেন বুদ্ধিজীবীদের কিছু করতে হয় না। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট করলেই হয়। তাঁদের উস্কানিতে মানুষের রুটি-রুজি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।
সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবীরা আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে একটি মিছিল করেন। সেই মিছিলেন সামিল হয়েছিলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছেলে ও মেয়ে। তাঁরা দুজনেই আইনজীবী। বাবা সাংসদ বিরোধিতা করছেন আন্দোলনের কিন্তু ছেলে মেয়ে বলছেন তাঁরা জাস্টিস চান। যে ঘটনা ঘটেছে আরজি কর হাসপাতালে তার বিচার চান তাঁরা। তবে কোনও রাজনৈতিক পতাকার মধ্যে তাঁরা এই মিছিলে হাঁটতে চাননা।
গত কয়েকদিন আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা দেশ। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে কলকাতা শহরে। চিকিৎসকরা তো বটেই সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবীরাও সামিল হয়েছেন এই আন্দোলনে। সোমবার নজিরবিহীনভাবে কলকাতা শহর দেখল আইনজীবীদের মিছিল।
কলকাতা হাইকোর্ট থেকে কালো কোর্ট পরেই প্রতিবাদ মিছিলে সামিল হয়েছিলেন আইনজীবীরা। সেই মিছিলে ছিল না কোনও রাজনৈতিক পতাকা। তাতে বামপন্থী আইনজীবী সায়ন থেকে শুরু করে শাসক দলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন তাঁকে মিছিলে ধাক্কা ধাক্কি করা হয়েছে। তাই নিয়ে মিছিলের শেষে হতে না হয়েই সায়নের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
আরজি কর কাণ্ড নিয়ে যখন বারবার শাসক দলের দিকে আঙুল উঠেছে তখন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মেয়ে এবং ছেলেকে দেখা গিয়েছে এই মিছিলে । তাঁরা বলেছেন এখানে রাজনৈতিক পরিচয় নয় একেবারে নাগরিক হিসেবে তাঁরা সামিল হয়েছেন এই মিছিলে। কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যের ছেলে বলেছেন রাজনৈতিক পরিচয়ের আগেও তিনি তাঁর মায়ের সন্তান, বোনের দাদা এবং স্ত্রীর স্বামী। কাজেই এই প্রতিবাদ সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ বলেই তাঁরা মনে করেন।












Click it and Unblock the Notifications