তৃতীয় ওয়েভ সামলাতে পশ্চিমবঙ্গ কতটা প্রস্তুত? মুখ্যসচিবের নেতৃত্বের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক স্বাস্থ্য ভবনে
গত কয়েকদিন আগেই তৃতীয় ওয়েভ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই ওয়েভ আছড়ে পড়ার আগে সবাইকে ভ্যাকসিন নেওয়ার কথা বলছেন গবেষকরা। কিন্তু ভ্যাকসিনের অভাবে তা দেওয়া যাচ্ছে না। আর তার দায় কেন্দ্রের উপরেই দিয়েছেন ম
গত কয়েকদিন আগেই তৃতীয় ওয়েভ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই ওয়েভ আছড়ে পড়ার আগে সবাইকে ভ্যাকসিন নেওয়ার কথা বলছেন গবেষকরা। কিন্তু ভ্যাকসিনের অভাবে তা দেওয়া যাচ্ছে না। আর তার দায় কেন্দ্রের উপরেই দিয়েছেন মমতা বন্দ্যপাধায়। তাঁর দাবি, এই মুহূর্তে রাজ্যে ১৪ কোটী ভ্যাকসিনের প্রয়োজন।
কিন্তু কেন্দ্র যেভাবে ভ্যাকসিন পাঠাচ্ছে তাতে তৃতীয় ওয়েভ আছড়ে পড়ার আগে সবাইকে ভ্যাকসিন দেওয়া যাবে না বলে আশঙ্কা তাঁর। এই অবস্থায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদি।
জানা গিয়েছে, তৃতীয় ওয়েভ সামলাতে পশ্চিমবঙ্গ কতটা প্রস্তুত তা নিয়ে মূলত আলোচনা হয়েছে এদিন।

গোটা আপডেট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া হবে
জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে স্বাস্থ্য ভবনে পৌঁছে যান রাজ্যের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদি। উচ্চ পর্যায়ের এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম। জানা গিয়েছে, দুটি দফাতে এই বৈঠক হয়েছে স্বাস্থ্য ভবনে। প্রথমে রাজ্যের অন্যান্য সচিবদের সঙে বৈঠক করেন মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদি। পুরো পরিস্থিতির আপডেট তাঁদের কাছ থেকে নেন তিনি। এরপর প্রত্যেক জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিক এবং জেলা শাসকদকের সগেও এই বৈঠক হয়। এই মুহূর্তের আপডেট আর কীভাবে প্রস্তুতি কি সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেন তাঁরা। এই বৈঠকে গোটা আপডেট মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।

সংক্রমন বাড়তে থাকলে কীভাবে তা ঠেকানো সম্ভব
বর্তমানে বাংলাতে দৈনিক সংক্রমণ এক হাজারের মধ্যে আটকে রয়েছে। হঠাত করে সংক্রমন বাড়তে থাকলে কীভাবে তা ঠেকানো সম্ভব সেই বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অন্যদিকে, জেলার স্বাস্থ্য ব্যবস্থা কি তা নিয়েও খোঁজখবর নেওয়া হয়। হাসপাতালের বেড থেকে শুরু করে অক্সিজেনের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য নেওয়া হয়েছে।

তৃতীয় ওয়েভে সবথেকে বেশি আক্রান্ত হবে বাচ্চারা
এছাড়াও গবেষকদের আশঙ্কা তৃতীয় ওয়েভে সবথেকে বেশি আক্রান্ত হবে বাচ্চারা। সেদিকে তাকিয়ে একগুচ্ছ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাচ্চাদের জন্য স্পেশাল কেয়ার ইউনিট, পর্যাপ্ত বেড সহ বাচ্চাদের মায়েরা যাতে থাকতে পারে সে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই কাজগুলি কত দূর সে বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।

ফের একবার বাড়ানো হয়েছে বিধি নিষেধ
রাজ্যে চতুর্থ দফায় ফের একবার বাড়ানো হয়েছে বিধি নিষেধ। ৩১ জুলাই পর্যন্ত কড়া নিয়ম জারি থাকবে রাজ্যে। এই অবস্থায় জেলাগুলির সংক্রমণ কি সে বিষয়ে একটা সাম্যক ধারণা নেন আধিকারিকরা। জানা যাচ্ছে, এই বৈঠক শেষে চূড়ান্ত রিপোর্ট তৈরি করা হবে। কোথায় খামতি রয়েছে তা ফের একবার আধিকারিকরা পর্যালোচনা করা হবে। সেগুলিকে খুঁজে দ্রুত কাজ করা হবে। সব মিলিয়ে তৃতীয় ওয়েভ নিয়ে প্রথম থেকে সতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন।












Click it and Unblock the Notifications