পঞ্চায়েত-হিংসায় গুলিবিদ্ধ একরত্তি শিশুর প্রাণপণ সংগ্রাম, এসএসকেএমে ভর্তিতে হয়রানি
মালদহের মানিকচকে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন নিয়ে হিংসায় গুলিবিদ্ধ শিশুর প্রাণপণ লড়াই চলছে জীবন বাঁচার জন্য। মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাঁকে এসএসকেএমে নিয়ে আসা হল উন্নত চিকিৎসার জন্য।
মালদহের মানিকচকে পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন নিয়ে হিংসায় গুলিবিদ্ধ শিশুর প্রাণপণ লড়াই চলছে জীবন বাঁচার জন্য। মালদহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে তাঁকে এসএসকেএমে নিয়ে আসা হল উন্নত চিকিৎসার জন্য। কিন্তু একরত্তি শিশু যখন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে, তখনও তার ভর্তি নিয়ে হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে শিশুটির পরিবারকে।

বছর চারেকের মৃণালকে ভর্তি করতে আড়াই ঘণ্টা সময় লেগে যায়। এতটা গুরুতর অবস্থা শিশুটির, তা সত্ত্বেও মেলেনি স্ট্রেচার, অ্যাম্বুল্যান্স। শেষমেশ অবশ্য এসএসকেএমে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করা হয়েছে তার। যে শিশু এখনও ভালো করে পৃথিবীকে বুঝতেই পারল না, সেই শিশুই গুলিবিদ্ধ হল পঞ্চায়েত হিংসায়। বিজেপির জয়ী সদস্য পঞ্চায়েত বোর্ড গঠনে সমর্থন করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসকে। তারই মাশুল দিতে হয় ছোট্ট শিশুকে।
বিজেপির জয়ী সদস্য পুতুল মণ্ডল কেন 'দলবদল' করে ভোট দিল তৃণমূলকে, তার কৈফিয়ৎ চাইতেই বিজেপির একদল চড়াও হয়েছিল বাড়িতে। সেখানে গিয়ে ঝামেলার মধ্যে গুলি চালানো হয়। গুলি লাগে ওই পঞ্চায়েত সদস্যের একরত্তি শিশুর মাথায়। অস্ত্রোপচার হলেও সংকট কাটেনি তার। ১৫ দিন হতে চলল জীবন-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে গুলিবিদ্ধ ওই শিশু। একটু স্থিতাবস্থা আসতে তাকে আনা হয়েছে এসএসকেএম। এখানে ভালো চিকিৎসার জন্য আনা হলেও ভর্তি করতেই আড়াইঘণ্টা হয়রান হতে হয় পুতুল মণ্ডলের পরিবারকে।
উল্লেখ্য, মালদহের মানিকচকে পঞ্চায়েতের বোর্ড গঠন নিয়ে ভোটাভুটিতে বিজেপি ৯টি ভোট পায়, অথচ বিজেপির জয়ী সদস্যের সংখ্যা ছিল ১০। এই একটি ভোট কম পড়া নিয়ে সংশয় ও হিংসার সূত্রপাত বলেই অভিযোগ। বিজেপির কোনও জয়ী প্রার্থী দলকে ভোট দেননি। ওই একটি ভোট নিয়ে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের সন্দেহ হয় পুতুল মন্ডল নামে এক বিজয়ী প্রার্থীকে। বিজেপির টিকিটে গ্রাম পঞ্চায়েতে জিতেছেন পুতুল। অথচ তিনি তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন বলে অভিযোগ। তার মাশুল দিতে হচ্ছে পুতুলের ছোট্ট শিশুকে।












Click it and Unblock the Notifications