পুণর্ভবা নদীর রুদ্রমূর্তি, বাঁধ ভেঙে গঙ্গারামপুরের বহু এলাকায় ঢুকেছে জল
উত্তরবঙ্গে ধারাবাহিক ভারী বৃষ্টি চলছে। পুণর্ভবা নদীর জল বহু জায়গায় বাঁধ ভেঙে দিয়েছে। বহু গ্রাম বৃহস্পতিবার রাত থেকে জলমগ্ন। চাষের জমিতে জল ঢুকে মাথায় হাত বাসিন্দাদের। প্রশাসন পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে আনার চেষ্টা করছে।
দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর ব্লকের চৌধুরীপাড়া নদী বাঁধে ফাঁটল। বর্ষার শুরুতেই উত্তেজনা, আতঙ্ক এলাকায়। প্রচুর টাকার ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা বাসিন্দাদের। এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন বিডিও। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে প্রশাসন।

বর্ষার শুরুতেই গঙ্গারামপুরে ব্লকের চৌধুরীপাড়া নদী বাঁধে ফাঁটল। গত বছরে এই এলাকায় ভয়াবহ ভাঙন দেখা যায়। এবার বর্ষার শুরুতেই বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পুণর্ভবা নদীর ভয়াবহ রূপ।
এমন ঘটোনায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা। এই ঘটনায় পুণর্ভবা নদীর জল ঢুকে প্লাবিত হয়েছে বহু এলাকা। পঞ্চায়েত এলাকার দাসপাড়া, হোসেনপুর, কাটাবোন সহ আশপাশের বেশ কিছু গ্রামে জল ঢুকেছে। চাষের জমিতে জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। ফসলের ক্ষতি হয়েছে বাসিন্দাদের। তৈরি হয়েছে বন্যার আশঙ্কাও।
শুকদেবপুর পঞ্চায়েতের হোসেনপুর এলাকার মানুষজন মূলত কৃষিকাজের সঙ্গে যুক্ত। ফলে প্রতি বছর বর্ষার সময় বন্যার আতঙ্কে থাকেন তাঁরা। গত বছর নদী বাঁধে ভাঙনের পর এবারেও ফাটল দেখা দেওয়ায় দুশ্চিন্তায় পরেছেন সকলেই।
বৃহস্পতিবার রাতে বাঁধে ফাটল দেখা দেয়। বাসিন্দারা ফাটল বন্ধ করার চেষ্টা শুরু করেন। নিজেরাই বালি, মাটির বস্তা, বাঁশ প্রভৃতি দিয়ে মেরামতির কাজ শুরু করেন। শুক্রবার সকাল থেকেও তারা কাজ চালাচ্ছেন। এদিন ঘটনাস্থলে পৌছান বিডিও অর্পিতা ঘোষাল। সেচ দফতরের আধিকারিকরাও ঘটনাস্থলে যান। পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাত লাগায় প্রশাসন। এই ঘটনায় কয়েক লক্ষ টাকার ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।
বিডিও জানিয়েছেন, তৎপরতার সঙ্গে কাজ চলছে৷ পুলিশ মোতায়েন করে বাসিন্দাদের সঙ্গে থাকার বার্তা দিয়েছে প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দা আনসার আলি, মোকলেসুর মিয়া, রাসেল চৌধুরী, মন্টূ সোরেনরা জানিয়েছেন, বছর বছর এমন ঘটনা ঘটে। প্রশাসন সঠিক ভাবে বিষয়টি দেখছে না। তারা চান এই ঘটনার স্থায়ী সমাধান।












Click it and Unblock the Notifications