Cyclone Mocha: ঘূর্ণিঝড়ের আগমন বার্তার মাঝেই বাড়ছে গরম, কেমন থাকবে জেলার আবহাওয়া জেনে নিন
মায়ানমার বাংলাদেশ না ওড়িশা-অন্ধ্রপ্রদেশ কোন দিকে এগোবে ঘূর্ণিঝড় মোখা তা নিয়ে গবেষণা চলছে। আইএমডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে ওড়িশা এবং অন্ধ্র উপকূলের দিতে গতি নিতে পারে মোখা। তার প্রভাব হয়তো বঙ্গে পড়বে। কিন্তু শুক্তবার থেকে গরমের দাপট বেড়েছে বঙ্গে। কেমন থাকবে জেলার আবহাওয়া জেনে নিন।
শুক্রবার সকাল থেকেই মেঘলা আকাশ ছিল শহরে। বেলা বাড়তে রোদের তেজ বেড়েছে। গরমও অনুভূত হচ্ছে। আকাশে মেঘ থাকায় গুমোট অনুভূতি রয়েছে। শুক্রবার শহরের তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। ঘূর্ণিঝড় মোখা বঙ্গোপাসগরে রূপ নিতে শুরু করবে ৭-৮ মে থেকে। কলকাতায় এবং রাজ্যের অন্যান্য জেলায় কিন্তু আগামী কয়েকদিন শুষ্ক আবহাওয়াই থাকবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

আপাতত বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই। মোখার প্রভাব পড়লেও সেটি উপকূলবর্তী জেলাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। ওড়িশার দিকে গেলে পূর্ব মেদিনীপুরের েজলা গুলিতে ভারী বৃষ্টি দেখা যাবে। আবার বাংলাদেশের দিকে গেলে সুন্দরবন এলাকায় প্রভাব পড়বে। তা নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক প্রশাসন। আবহাওয়া দফতরের আপডেট প্রতিমূর্তে ট্র্যাক করছে নবান্ন।

ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে নবান্নে উপকূলবর্তী জেলার জেলা শাসকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী। তিনি সুন্দরবনের বাঁধগুলির অবস্থা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছেন। সেখানকার জেলা শাসক দের দুর্যোগ মোকাবিলার সবরকম ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। আম্ফানের পরিস্থিতি যেন না ঘটে সেদিকে বিশেষ নজর দিচ্ছে নবান্ন।
উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও আপাতত বর্ষণের কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। উত্তরবঙ্গে পাঁচ জেলাতে আবহাওয়া মূলত শুষ্ক থাকবে। পাহাড়ের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে তবে তেমন কিছুই নয়। আকাশ মূলত পরিষ্কার থাকবে। উত্তরবঙ্গে তেমন কোনও বর্ষণের সম্ভাবনা নেই। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবও তেমন পড়বে না বলে জানিয়েেছ হাওয়া অফিস।
আপাতত শহর থেকে জেলা তাপমাত্রা ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকবে। গরম বাড়লেও ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রা হওয়ার আপাতত তেমন কোনও সম্ভাবনা নেই। মে মাসটা মোটের উপরে মনোরমই যাচ্ছে। উত্তর ভারতের রাজ্যগুলির তাপমাত্রাও অনেকটা কমেছে বৃষ্টির কারণে। রাজধানী দিল্লিতে যেখানে েই সময় তাপপ্রবাহ হওয়ার কথা সেখানে বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা নেমে গিয়েছে অনেকটা।
এদিকে ঘূর্ণিঝড়ের দাপট আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে বেশি পড়বে বলে আগেই সতর্কতা জারি করেছে আইএমডি। আন্দামান নিকোবর দ্বীপে ৭ মে থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে। ১১ মে অতিভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। মৎস্যজীবীদের আগামী ১৪ মে পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এবং যাঁরা এখন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছেন তাঁদের দ্রুত ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications