Calcutta HC: ৩১৩ শিক্ষকের বেতন বন্ধ করতে ৩ দিন সময়, পাহাড়ে 'নিয়োগ দুর্নীতি' মামলায় রাজ্যকে 'ধমক' হাইকোর্টের
Calcutta HC: এসএসসি মামলায় এমনিতেই ব্যাকফুটে রাজ্য। গোদের উপর বিষফোঁড়া হল এবার পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতি মামলা। পাহাড়ে নিয়োগ দুর্নীতিতে বেআইনিভাবে নিযুক্ত ৩১৩ জন শিক্ষকের বেতন বন্ধ করতে বলল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার ওই মামলায় রাজ্যে শেষ সুযোগ দিয়ে ৭২ ঘণ্টার চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দিলেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। রাজ্য তিন দিনের মধ্যে নির্দেশ না দিলে আদালত বেতন বন্ধের নির্দেশ দেবে বলেও জানিয়ে দেন বিচারপতি।
জিটিএ এরিয়াতে কোনও পরীক্ষা ছাড়াই প্রাথমিক স্তরে ৭০০ জনেরও বেশি শিক্ষক নিয়োগের অভিযোগ উঠেছিল। দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত শিক্ষকদের স্থায়ী করা হয়েছিল বলে দাবি করে রাজ্য। দুর্নীতি ঢাকার অভিযোগ ওঠে রাজ্যের বিরুদ্ধে।

তদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে আদালতে জানানো হয়, ৩১৩ জনকে বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল। বিধাননগর উত্তর থানায় দায়ের হওয়া এফআইআরে নাম জড়ায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জিটিএ নেতা বিনয় তামাং, তৃণমূলের ছাত্র পরিষদের নেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য-সহ একাধিক জনের।
আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘন করে কিভাবে এদের নিয়োগ করা হলো তা নিয়ে এদিন রাজ্যের ভূমিকায় প্রশ্ন তুললেন বিচারপতি। তাঁর মন্তব্য, "এই শিক্ষকদের ন্যূনতম প্রশিক্ষণ রয়েছে। এদের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী? জিটিএ এখন যদি বলে এদের পরিবার ও শিশুদের কথা চিন্তা করতে, তাহলে বাকি শিশুরাও তো ক্ষতিগ্রস্ত হবে।" এদিন আদালতে স্টেটাস রিপোর্ট জমা দেয় সিআইডি।
বিচারপতির আরও মন্তব্য , "এক্ষুণি এই শিক্ষকদের বেতন বন্ধ করে দেওয়া উচিত। রাজ্য কেন এদের বেতনের ভার বহন করবে?" রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তের কাছে বিচারপতি জানতে চান, "রাজ্য বন্ধ করবে, নাকি আমি বেতন বন্ধের নির্দেশ দেব?" বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিন আদালতের নির্দেশের পর পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।












Click it and Unblock the Notifications