মুকুল-কৈলাশদের ডাকেও সাড়া দিলেন না এই হেভিওয়েট! জোর জল্পনা একুশের আগে

মুকুল রায়কে পাশে নিয়ে বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় গিয়েছিলেনি জঙ্গলমহল সফরে। সেখানে গিয়ে জোর ঝটকা খেলেন। বিজেপির এক হেভিওয়েট নেতাকে ফেরাতে ব্যর্থ হলেন তাঁরা।

মুকুল রায়কে পাশে নিয়ে বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয় গিয়েছিলেন জঙ্গলমহল সফরে। সেখানে গিয়ে জোর ঝটকা খেলেন। বিজেপির এক হেভিওয়েট নেতাকে ফেরাতে ব্যর্থ হলেন তাঁরা। কৈলাশের অভ্যর্থনাও এড়িয়ে গেলেন তিনি। ফলে ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে অস্বস্তি বাড়ল বিজেপির, একইসঙ্গে জল্পনাও বাড়ল রাজ্য রাজনীতিতে।

লোকসভায় ব্যবহার, তারপরই মর্যাদা বিলোপ

লোকসভায় ব্যবহার, তারপরই মর্যাদা বিলোপ

২০১৯-এ ঝাড়গ্রামে বিজেপির লোকসভা ভোট প্রচারে ঝড় তোলা সেই নেতার জন্যই এতখানি ভালো রেজাল্ট করতে সমর্থ হয়েছিল বিজেপি। কিন্তু তিনি বিজেপির কাছ থেকে সেই মর্যাদা পাননি। ফলে ঝাড়গ্রাম জেলার বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর বিরোধ তৈরি হয়। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বও এতদিন সেই বিরোধ মেটানোর চেষ্টা করেনি।

দলে একঘরে যুব মোর্চার প্রাক্তন জেলা সভাপতি

দলে একঘরে যুব মোর্চার প্রাক্তন জেলা সভাপতি

বিজেপির যুব মোর্চার প্রাক্তন ওই জেলা সভাপতি অনুরণ সেনাপতি লোকসভা নির্বাচনে প্রচারের জন্য নিজের থেকে ১০ লক্ষ টাকা খরচ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু দলের তরফে সেই টাকা মেটানো হয়নি। টাকা ফেরতের জন্য বারবার আবেদন করেও ফল হয়নি। বরং বিরোধ তুঙ্গে উঠেছিল তা নিয়ে। অনুরণ সেনাপতিও দলে একঘরে হয়ে গিয়েছিলেন।

পৃথক জনসংযোগ, তৃণমূলেও ফিরেছেন অনেকে

পৃথক জনসংযোগ, তৃণমূলেও ফিরেছেন অনেকে

অভিযোগ দল তাঁকে ব্যবহার করেছে, তাঁর টাকাকে ব্যবহার করেছে। উল্টে দলের শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য যুব মোর্চার জেলা সভাপতির পদ থেকে তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর তিনি পৃথক জনসংযোগ করেন। তাঁর অনুগামীরা অনেকেই তৃণমূলে যোগদান পর্যন্ত করেন। তাঁকেও তৃণমূলের অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চালানো হয়। কিন্তু তিনি তৃণমূলে যোগ দেননি।

বিজেপিতে সক্রিয় করার চেষ্টা বিদ্রোহী নেতাকে

বিজেপিতে সক্রিয় করার চেষ্টা বিদ্রোহী নেতাকে

এখন ২০২১-এর দিকে চেয়ে ফের অনুরণ সেনাপতিকে বিজেপিতে সক্রিয় করার চেষ্টা চালায় রাজ্য নেতৃত্ব। গত ৩০ অগাস্ট তাঁকে বিজেপির সদর দফতরে ডেকে পাঠানো হয়। তাঁর সঙ্গে বিজেপি রাজ্য ও যুবমোর্চা নেতৃত্ব বৈঠক করে। এবং সেদিনই তাঁকে যুব মোর্চার রাজ্য সম্পাদক পদ দেওয়া হয়। কিন্তু তারপরও অনুরণ সেনাপতি এড়িয়ে গেলেন বিজেপি নেতৃত্বকে।

পার্টিতে তিনি কতটা সক্রিয় হবেন, প্রশ্ন

পার্টিতে তিনি কতটা সক্রিয় হবেন, প্রশ্ন

কৈলাশ বিজয়বর্গীয়-মুকুল রায়রা ঝাড়গ্রামে গিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সারলেও, সেই বৈঠকে গরহাজির ছিলেন অনুরণ। যুব মোর্চার জেলা সভাপতি পদ থেকে অপসারিত হয়ে ফের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক হলেও পার্টিতে তিনি কতটা সক্রিয় হবেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়। তিনি যে ঝাড়গ্রাম জেলা নেতৃত্বের উপর এখনও ক্ষুব্ধ, তা স্পষ্ট হল তাঁর গরহাজিরায়।

হেভিওয়েটের অনুপস্থিতির কারণ নিয়ে নানা জল্পনা

হেভিওয়েটের অনুপস্থিতির কারণ নিয়ে নানা জল্পনা

বিজেপির তরফে এখন অনুরণের অনুপস্থিতির কারণ নিয়ে নানা ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি জেলা নেতৃত্ব জানিয়েছে, বিজেপির পর্যবেক্ষকের সঙ্গে বিজেপির পদা্ধিকারীদের বৈঠক হয়েছে, কোনও শাখা সংগঠনের পদাধিকারীদের ডাকা হয়নি। তাই অনুরণ আসেননি। আবার অনুরণের আত্মীয়ের করোনা হয়েছে বলেই তিনি অনুপস্থিত ছিলেন বলে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। অনুরণ নিজে জানান, তিনি অনাহুত হয়ে যেতে চাননি।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+