Exclusive: মন্ত্রিত্ব না পাওয়াতে ক্ষোভ সৌমিত্রের! যুব মোর্চার পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন বিজেপি সাংসদ
জল্পনার তালিকাতে তাঁর নামও ছিল। একাধিকবার দিল্লিতে তাঁকে তলবও করা হয়। কিন্তু শেষবেলায় বাতিল হয়ে যায় বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খা-য়ের নাম। আর তাতেই ক্ষোভ। আর সেই ক্ষোভ প্রকাশ্যে উগরে দিলেন সাংসদ।
নবার লোকসভা নির্বাচন জিতেছেন বিষ্ণুপর থেকে৷ কঠিন সময়ে বিজেপিতে এসেও জয় অব্যাহত রেখেছিলেন সৌমিত্র খাঁ। দলের অভ্যন্তেরই একাধিকবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্বের ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বিজেপির এই তরুণ নেতা৷
Recommended Video
কিন্তু না ২০১৯ এর মোদী মন্ত্রিসভায়, না ২০২১ এর বর্ধিত মন্ত্রীসভায়! কোথাও জায়গা পাননি সৌমিত্র সম্ভবত সেই ক্ষোভ থেকে পদ ছাড়ার কথা বলছেন সৌমিত্র

বিজেপিতে সৌমিত্র মুকুল-লবির লোক ছিলেন
২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনের আগে মুকুল রায়ের হাত ধরেই তৃণমূল থেকে বিজেপিতে এসেছিল সৌমিত্র খাঁ৷ তার আগে অবশ্য মুকুলের হাত ধরেই সৌমিত্রর তৃণমূলে আসা৷ মুকুল রায়কে একপ্রকার রাজনৈতিক গুরু মানেন সৌমিত্র। ২রা মে-র পর মুকুল তৃণমূলে ফিরে যাওয়ায় অনেকেই ভেবেছিলেন এবার নয়ত সৌমিত্রও ফিরে যাবেন তৃণমূলে। কিন্তু তা হয়নি, উল্টে মুকুল রায়কে 'বিশ্বাসঘাতক' বলে কড়া আক্রমণ শানিয়েছিলেন সৌমিত্র।

দিলীপ-সৌমিত্র সংঘাত
আগেই যুব মোর্চার পদ ছাড়ার কথা বলেছেন সৌমিত্র।মূলত বঙ্গ-বিজেপিতে মুকুল-বিজয়বর্গী লবির চাপেই যুবমোর্চার রাজ্য সভাপতি পদ পান সৌমিত্র খাঁ। এরপরই রাজ্যে বিভিন্ন জেলায় যুব মোর্চার কমিটিতে নিজের পছন্দসই লোকদের জায়গা দিতে শুরু করেন সৌমিত্র। বিষয়টিতে ক্ষুব্ধ হয়ে সৌমিত্রর গড়া কমিটিগুলি রাতারাতি ভেঙে দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তখনও যুব মোর্চার সভাপতি পদ ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন সৌমিত্র। যদিও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের হস্তক্ষেপে সেবার বিষয়টি মিটে যায়।

বিজেপি রাজ্য যুব মোর্চার সভাপতি পদ ছাড়ার কথা
বৃহস্পতিবার একটি ফেসবুক পোস্টে শান্তনু ঠাকুর, জন বার্লা, সুভাষ সরকার, নীশিথ প্রামানিককে শুভেচ্ছা জানান সৌমিত্র৷ এরপর তাঁকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ওয়ানইন্ডিয়া বাংলাকে সৌমিত্র বলেন,'আমরা রাস্তায় থাকি, তাই আমাদের মন্ত্রী করার দরকার পড়ে না। আমি বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি পদ ছাড়ছি৷ তবে বিজেপির একজন সাধারণ কর্মী এবং এমপি হিসেবে কাজ করে যাবো।'












Click it and Unblock the Notifications