এনআরসি নয়! রাজ্যের তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে হারের কারণ খুঁজে পেল বিজেপি
রাজ্যে তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে হারের কারণ খুঁজে পেল বিজেপি। সূত্রের খবর, বিজেপির ৩ সাধারণ সম্পাদককে তিন কেন্দ্রে হারের কারণ খুঁজে বের করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।
রাজ্যে তিন বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে হারের কারণ খুঁজে পেল বিজেপি। সূত্রের খবর, বিজেপির ৩ সাধারণ সম্পাদককে তিন কেন্দ্রে হারের কারণ খুঁজে বের করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তাঁরা এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন বলে জানা গিয়েছে। সেখানেই উঠে এসেছে হারের কারণ আসলে দলবাজি।

এনআরসিই হারের কারণ, বলেছিলেন কালিয়াগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী
রাজ্য নেতৃত্ব তখনও হারের কারণ ব্যাখ্যা করেননি। তার আগেই হার নিয়ে কারণ ব্যাখ্যা করে দিয়েছিলেন কালিয়াগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী কমল সরকার। হারের প্রথম কারণ হিসেবে, তিনি এনআরসিকেই তুলে ধরেছিলেন। বিষয়টি নিয়ে লোককে বোঝাতে না পারার ব্যর্থতাও দায়ী বলে জানিয়েছেন তিনি। বিজেপির কালিয়াগঞ্জের প্রার্থীর অভিযোগ ছিল, অসমের এনআরসির ফায়দা নিয়েছে বিরোধীরা। অসমের ঘটনায় লোকে ভীত হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি।

কালিয়াগঞ্জেই উঠেছিল অন্তর্দ্বন্দ্বের অভিযোগ
এই কালিয়াগঞ্জেই বিজেপি প্রার্থী হেরে যাওয়ার পিছনে অন্তর্দ্বন্দ্বের অভিযোগ উঠেছিল। কালিয়াগঞ্জে বিজেপির হারের পরে এখনও আলোচনা চলছে দলের অভ্যন্তরে। সেই পরিস্থিতিতে হার নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট করেন দলেরই এক প্রভাবশালী নেতা শঙ্কর চক্রবর্তীর। তিনি লিখেছিলেন, শেষ পর্যন্ত কালিয়াগঞ্জে হারের আসল আসামী পাওয়া গেল। সেই আসামী হলেন শঙ্কর চক্রবর্তী নিজেই। সৌজন্যে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। সবশেষে তিনি দল থেকে তাঁর মতো লোককে তাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান করেছিলেন। তিনি আরও অভিযোগ করেছিলেন, নিষ্ঠাবান বিজেপি কর্মীদের দূরে সরিয়ে ঠিকাদারদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী।

হারের কারণ দলবাজি, প্রমাণ পেল বিজেপি
লোকসভা নির্বাচনে ৫৭ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকা কেন্দ্র কালিয়াগঞ্জ। অন্যদিকে প্রায় ৪৭ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকা কেন্দ্র ছিল খড়গপুর সদর। দুই কেন্দ্রেই পরাজিত হয় বিজেপি। এর সঙ্গে ছিল সীমান্তবর্তী করিমপুর। হেরে যাওয়ার পরেই ৩ সাধারণ সম্পাদককে হারের কারণ খতিয়ে দেখতে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁরা তিন কেন্দ্র ঘুরে রিপোর্ট তৈরি করেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তাঁদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এনআরসি নয়, হারের কারণ দলবাজি।

তৃণমূলের প্রচারের মোকাবিলা করা যায়নি
হারের অপর কারণ হিসেবে উঠে এসেছে, তৃণমূলের প্রচারের মোকাবিলা না করতে পারা। প্রসঙ্গত তৃণমূল প্রচারে এনআরসিকেই তুলে ধরেছিল।

বিজেপি হাতিয়ার এনআরসি, সিএবি
তবে বিজেপি সূত্রে পরিষ্কার বলে দেওয়া হয়েছে, এনআরসি আর সিএবিই তাঁদের হাতিয়ার। পরবর্তী সময়ে এই দুটিকে সামনে রেখেই এগোবে তারা, এমন ইঙ্গিতও দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications