অধিকারী-গড়ে বাড়ছে বিজেপি, আধিপত্য রক্ষাই চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের, একনজরে কাঁথি
প্রথম পাঁচ দফায় ২৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। এবার ২০১৯-এর লোকসভা যুদ্ধে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণের অপেক্ষা। এই দফায় বাংলায় আটটি কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে। একঝলকে কাঁথি ভোট ইতিহাস।
প্রথম পাঁচ দফায় ২৫টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। এবার ২০১৯-এর লোকসভা যুদ্ধে ষষ্ঠ দফার ভোটগ্রহণের অপেক্ষা। এই দফায় বাংলায় আটটি কেন্দ্রে ভোট হচ্ছে। একঝলকে তমলুক ভোট ইতিহাস।তমলুক, কাঁথি, ঘাটাল, মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুরে ভোট হবে এই দফায়। তার আগে ফিরে দেখা কাঁথির ভোট-ইতিহাস।

কাঁথি
বাংলার ৪২ লোকসভার কেন্দ্রের মধ্যে ৩১ নম্বর লোকসভা কেন্দ্র হল এই কাঁথি। এই কেন্দ্র প্রথমে কংগ্রেসের দখলে থাকলেও, কংগ্রেসে বারবার বিভাজন লড়াই থেকে ছিটকে দিয়েছে তাদের। ৬২ সালের পর শুধু ৮৪ সালে জিতেছিল কংগ্রেস। তারপর প্রাধান্য দেখিয়ে এসেছে সিপিএম। বর্তমানে অধিকারী গড়ে পরিণত কাঁথি। শেষ দুবার এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছেন শিশির অধিকারী।

কোন কোন বিধানসভা
কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র হল- চণ্ডীপুর, পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, খেজুরি, ভগবানপুর ও রামনগর। এই সাতটি কেন্দ্রই পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অধীন।

১৯৫২ সাল থেকে ১৯৭৭
১৯৫২ ও ১৯৬২ সালে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিল কংগ্রেস। সাংসদ হয়েছিলেন বসন্তকুমার দাস। আর মাঝে ১৯৫৭ সালে প্রজা সোশালিস্ট পার্টির প্রমথনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে হেরে যায় কংগ্রেস। এরপর ৬৭, ৭১ ও ৭৭ সালে এই কেন্দ্র থেকে প্রজা সোশালিস্ট পার্টির সমর গুহ নির্বাচিত হন।

১৯৮০ থেকে ১৯৯৮
এরপর ১৯৮০ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত ছ-টি নির্বাচনের মধ্যে পাঁচটি নির্বাচনে জিতে সংসদে যান সিপিএমের সুধীরকুমার গিরিকে হারিয়ে সংসদে যান। শুধু মাঝে ১৯৮৪ সালে এই কেন্দ্র থেকে কংগ্রেসের ফুলরেণু গুহ জয়ী হন। তিনি সুধীরকুমার গিরিকে হারিয়ে দেন। ফের সুধীরবাবু হারেন ১৯৯৯ সালে।

১৯৯৯ থেকে ২০১৪
১৯৯৯ সালে সুধীরকুমার গিরির জয়যাত্রা আটকে দেন তৃণমূলের নিশীথ সেনগুপ্ত। ২০০৪ সালে তৃণমূল প্রার্থী হেরে যান সিপিএমের প্রশান্ত বর্ধনের কাছে। ২০০৯ সালে তৃণমূলের শিশিরকুমার অধিকারী হারিয়ে দেন সিপিএমের প্রশান্ত বর্ধনকে। ২০১৪ সালেও শিশিরবাবু এই আসনটি ধরে রাখতে সমর্থ হন।

২০১৪ সালের ফল
২০১৪-র নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের শিশির অধিকারী সিপিএমের তাপস সিনহাকে ২ লক্ষ ২৮ হাজার ৪৯০ ভোটে পরাজিত করেন। শিশির অধিকারী ভোট পান ৭,৭৬,৭৪৯টি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিএমের তাপস সিনহার প্রাপ্ত ভোট ৪,৬৮,২৫৯। বিজেপির কমলেন্দু পাহাড়ি পান ১,১১,০৮২ভোট। আর কংগ্রেসের কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় পান ২৭,২৩০ ভোট।

২০১৯-এ কারা প্রার্থী
তৃণমূল কংগ্রেস এবার সিটিং এমপি শিশির অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন দেবাশিস সামন্ত। সিপিএম প্রার্থী করেছে পরিতোষ পট্টনায়ককে। কংগ্রেসের প্রার্থী দীপককুমার দাস।












Click it and Unblock the Notifications