রাহুলের নাম নিতে ফোসকা পড়ে মমতার! মোদীর সঙ্গে একই বন্ধনীতে রেখে নিশানা অধীরের
ফের নরেন্দ্র মোদী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একই বন্ধনীতে রেখে নিশানা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। মোদী ও মমতার কোথায় মিল তা দেখিয়ে তিনি চাঁছাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানান। এদিন রাহুল গান্ধীর সংসদ সদস্যপদ খারিজ নিয়ে মোদী থেকে শুরু করে মমতা- উভয়ের বিরুদ্ধেই তোপ দেগেছেন।

রাহুল গান্ধীর নাম নিতে ফোসকা পড়ে মমতার!
অধীর চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদীর যেমন নেহেরুর নাম নিতে ফোসকা পড়ে, ঠিক তেমনি রাহুল গান্ধীর নাম নিতে ফোসকা পড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কে গুরুত্ব দিলেন, কে প্রশংসা করলেন তাতে কিছু এসে যায় না। রাহুল গান্ধীকে যেভাবে অন্যায়ভাবে সাজা দেওয়া হয়েছে, সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে গোটা দেশ গর্জে উঠেছে।

একবারও রাহুল গান্ধীর নাম মুখে নিতে শোনা যায়নি
অধীর চৌধুরী বলেন, ভারতবর্ষের সব দল আজ এককাট্টা। সব দলের নেতা-নেত্রী, কেন্দ্রের এই ঘৃণার রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে। সারা বিশ্বজুড়ে রাহুল গান্ধীর ওপরে সরকারের নির্লজ্জ মানসিকতার প্রতিবাদ হচ্ছে। কিন্তু একবারও রাহুল গান্ধীর নাম মুখে নিতে শোনা যায়নি দিদিকে। রাহুল গান্ধীর নাম নিতে তাঁর কষ্ট হয়।

মমতাকে বাংলায় কংগ্রেসের নেত্রী বানিয়েছিলেন রাজীব গান্ধী
অধীরের কথায়, দিদির মুখ থেকে জোট ও ঐক্যের কথা চলে গিয়েছে, কারণ দিদির ২১-এর লক্ষ্যপূরণ হয়ে গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর এখন মনে নেই তাঁকে প্রথম সাংসদ বানিয়েছিলেন, বাংলায় কংগ্রেসের নেত্রী বানিয়েছিলেন রাজীব গান্ধী। আর মুখ্যমন্ত্রী বানানোর পিছনে সব থেকে বড় অবদান ছিল সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর।

গোটা বিশ্ব মুখ খুলেছে, শুধু তাঁর মুখ থেকে কথা নেই
পুরনো দিনের কথা তুলে ধরে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে অকৃতজ্ঞ বলে কটাক্ষ করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। বলেন, যদি তাঁর ন্যূনতম কৃতজ্ঞতা বোধ থাকত তবে রাহুল গান্ধীকে নিয়ে যখন গোটা বিশ্ব মুখ খুলছে, তখন তাঁর মুখ থেকেও কিছু শোনা যেত, কিন্তু তিনি নীরব।

মমতার মুখে বিজেপি বিরোধী জোটের কথা মানায় না
এর আগে রাহুল গান্ধীর ভারত জোড়ো যাত্রা নিয়েও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নীরব ছিলেন। এমনকী ভারত জোড়ো যাত্রার সমাপনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ থাকা সত্ত্বেও তিনি যাননি, একটা সৌজন্য প্রকাশও করেননি। তাঁর মুখে তাই বিজেপি বিরোধী জোটের কথা মানায় না। তিনি দলীয় স্বার্থ ছাড়া কিছু করেননি, করেন না।

হিন্দুত্বের মানসিকতায় কে কতটা বিশ্বাসী তার প্রতিযোগিতা
এদিন রামনবমী পালন নিয়ে তিনি মোদী-মমতাকে একহাত নিয়েছেন। সারা বাংলায় মিছিল করে তৃণমূলও বিজেপির সঙ্গে ঘটা করে পালন করছে রামনবমী। এর মানে একটাই। হিন্দুত্বের মানসিকতায় কে কতটা বিশ্বাসী তার প্রতিযোগিতা চলছে। আমি মোদীর থেকে কম বড় হিন্দু নয়, সেটা প্রমাণ করতে চাইছেন মমতা

আমরাও বিজেপির থেকে কম বড় হিন্দু নয়!প্রমাণের চেষ্টা
অধীর চৌধুরী প্রশ্ন ছুড়ে দেন, আজকে এত মন্দির তৈরি করার, চন্ডীপাঠ করার কারণটা কী? কেন ঠেকানো গেল না এত বড় ঘটনা? বরাবর যেখানে ঘটে, সেখানে পুলিশ কেন দেওয়া হল না আগে থেকে। আসলে আমরাও বিজেপির থেকে কম বড় হিন্দু নয়, সেটা প্রমাণ করার চেষ্টা করছে তৃণমূল!
আইপিএলের সব খবরের আপডেট, স্কোর, স্ট্যাটিসটিক্স, ছবি, ভিডিও একনজরে












Click it and Unblock the Notifications