নির্বাচন কমিশন এখন বিজেপির কমিশন! বাংলার মানুষ আস্থা হারিয়েছেন, বললেন অধীর
শীতলকুচি কংগ্রেসেরে শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও চুপ। এবার বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী।
শীতলকুচি নিয়ে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব এখনও চুপ। এবার বাংলার মাটিতে দাঁড়িয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। অধীর চৌধুরী কলকাতার চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থীর প্রচারে শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে আক্রমণ শানালেন নির্বাচন কমিশনকে। সোজাসুজি শুনিয়ে দিলেন কমিশনের উপর আস্থা নেই বাংলার মানুষের।

কমিশনের উপর কোনও আস্থা নেই মানুষের
অধীর চৌধুরী বলেন, বাংলার মানুষ এই নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির কমিশন বলে মনে করে। এই কমিশনের উপর কোনও আস্থা নেই, কোনও বিশ্বাসও নেই। আমি চাই নির্বাচন কমিশন শীতলকুচির ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে যাদের কারণে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের অবিলম্বে শাস্তির দাবি করলেন অধীর চৌধুরী।

শীতলকুচির ঘটনায় নির্বাচন কমিশন শোচনীয় ব্যর্থ কমিশন
চৌরঙ্গী বিধানসভার সংযুক্ত মোর্চা সমর্থিত কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠকের সমর্থনে প্রচারে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে অধীর চৌধুরী বলেন, শীতলকুচির ঘটনায় নির্বাচন কমিশন শোচনীয় ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের উপর আশা-ভরসার জায়গাটা হারিয়ে ফেলছে বাংলার মানুষ। এখন সঠিক তদন্ত করে ব্যবস্থা না নিলে সেই আস্থা আর ফিরবে না।

যারা গুলি চালিয়েছে তাদের ভাষায় কথা বলছে কমিশন
অধীরের কথায়, যারা গুলি চালিয়েছে, নির্বাচন কমিশন তাদের ভাষায় কথা বলছে। এরপর কমিশন আর কমিশন থাকবে না। কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে গিয়েছে। আমরা নির্বাচন কমিশন মেনে চলতে বাধ্য। তা বলে নির্বাচন কমিশন তার দায় এড়াতে পারে না। শীতলকুচির ঘটনায় সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে কমিশন।

আইনশৃঙ্খলার ভার যখন নির্বাচন কমিশনের
কোনও রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রী ৭২ ঘণ্টা কোচবিহারে প্রবেশ করতে পারবে না। কমিশনের এই নির্দেশ সম্পর্কে অধীর চৌধুরী বলেন, আইনশৃঙ্খলার ভার এখন নির্বাচন কমিশনের। তারা যদি বলে এই নিয়ম মানত হবে, আমরা বাধ্য তা মানতে। আমরা তো আর বন্দুক উঁচিয়ে নির্বাচন কমিশনের ফৌজদের বিরুদ্ধে লড়তে পারব না।












Click it and Unblock the Notifications