বাংলার রাজনীতিতে জাঁকিয়ে বসছে বিজেপি! নয়া সমীক্ষা অক্সিজেন জোগাল দিলীপ, মুকুলদের

পিকের দলকে টেক্কা! বাংলার জনগণের ওপর কোন প্রভাব বিজেপির, সমীক্ষা জানিয়ে দিল তথ্য

শাসক তৃণমূলের (trinamool congress) প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠতে জনগণের ওপর বিজেপির (bjp) প্রভাব ক্রমেই বাড়ছে। তবে কোনও কোনও জায়গায় সাংগঠনিক পরিস্থিতির দিকে নজর দিতে হবে গেরুয়া শিবিরকে। দুটি সমীক্ষায় এমনটাই তথ্য উঠে এসেছে। ২০২১-এর বিজেপি লক্ষ্য হল ২২০ টি আসনে জয়লাভ করা।

দুটি সমীক্ষক দলকে দায়িত্ব

দুটি সমীক্ষক দলকে দায়িত্ব

সূত্রের খবর অনুযায়ী, বিজেপির তরফে দুটি সমীক্ষকদলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল আলাদা ভাবে ৭৮ হাজার বুথে সমীক্ষা চালানোর জন্য। মানুষের মতিগতি বুঝতে এই কর্মকাণ্ড। যাদের সমীক্ষার রিপোর্ট ইতিমধ্যেই এসেগিয়েছে। একইসঙ্গে বুথে বিজেপির শক্তি যাচাই করার পাশাপাশি তাদের প্রার্থীদের জেলার সম্ভাবনা নিয়ে এই সমীক্ষা চালানো হয়। অপর একটি সমীক্ষক দল এমাসের শেষে দায়িত্ব নেবে।
২০১৯-এর শেষে এবং এবছরের জুলাইতে করা সমীক্ষার রিপোর্ট বিজেপির শীর্ষ নেতাদের সামনে রাখা হয়েছে। যা দিয়ে পরবর্তী পরিকল্পনা তৈরি করতে পারবে বিজেপি।

পরিস্থিতির পরিবর্তন করেছে আম্ফান

পরিস্থিতির পরিবর্তন করেছে আম্ফান

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করতে চায় বিজেপি। বিজেপির তরফে করা দ্বিতীয় সমীক্ষায় বলা হয়েছে, আম্ফান পরবর্তী সময়ে তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ পুরো পরিস্থিতির পরিবর্তন করে দিয়েছে। যা বিজেপির লড়াইয়ে আরও সহায়ক হয়েছে। সূত্রের খবর এমনটাই।

লোকসভা আর বিধানসভা নির্বাচন ভিন্ন

লোকসভা আর বিধানসভা নির্বাচন ভিন্ন

বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, লোকসভা নির্বাচন আর বিধানসভা নির্বাচনে লড়াইয়ের পরিপ্রেক্ষিতটাই আলাদা। তাই তারা আর কোনও সুযোগ দিতে রাজি নন। ফলে একেবারে নিচের পরিস্থিতি কী তা জানতে সমীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে বিভিন্ন এজেন্সিকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়। রাজ্য দলের দু-একজন ছাড়া এব্যাপারে সেরকম কেউ কিছুই জানতেন না। গতবছরের লোকসভা নির্বাচনের আগেও দলের শক্তি যাচাই করতে এমনই সমীক্ষা করানো হয়েছিল।

পরিস্থিতির পরিবর্তন ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পরেই

পরিস্থিতির পরিবর্তন ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পরেই

সাধারণভাবে পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দশকের পর দশক ধরে রাজনৈতিকভাবে বিভাজিত ছিলেন। কিন্তু ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের পরেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়। ৪২ টি আশনের মধ্যে ১৮ টিতে জয়লাভ করে বিজেপি। গেরুয়া শিবির রাজ্যে ৪০.৫ শতাংশ ভোট পকেটে পুরে নেয়। অন্যদিকে বিধানসভার নিরিখে ২৯৪টির মধ্যে ১২৫ টি আসনে তারা এগিয়ে ছিল।

দূর করতে হবে সাংগঠনিক দুর্বলতা

দূর করতে হবে সাংগঠনিক দুর্বলতা

সমীক্ষায় বেশ কিছু জায়গায় সাংগঠনিক দুর্বলতার কথাও উঠে এসেছে। এছাড়াও রয়েছে অন্তর্দ্বন্দ্ব। তবে বিজেপি আশাবাদী এইসব ফাঁকফোকর বন্ধ করে ২০২১-এর নির্বাচনে তৃণমূলকে হারানো সম্ভব হবে তারা। সমীক্ষায় উঠে এসেছে প্রার্থী নির্বাচনের বিষয়টিও। তাই বলা হয়েছে, এলাকায় যে নেতা সব থেকে বেশি জনপ্রিয় এবং যাঁর জেতার সম্ভাবনা সব থেকে বেশি, তাঁকেই সুযোগ দিতে হবে।

দলের জেলা কমিটি থেকেও রিপোর্ট

দলের জেলা কমিটি থেকেও রিপোর্ট

তবে সমীক্ষা ছাড়াও একেবারের নিচের দিকের পরিস্থিতি জানতে দলের জেলা কমিটিগুলির রিপোর্টও তলব করা হয়েছে। ইস্তেহাক তৈরি করার সময় এই চার রিপোর্টকে সামনে রাখা হবে। তবে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, তাদের দল মাঝে মধ্যেই এই ধরনের সমীক্ষা চালিয়ে থাকে।

তৃণমূলের কটাক্ষ

তৃণমূলের কটাক্ষ

যদিও তৃণমূলের তরফে বিজেপির এই সমীক্ষার খবরকে কটাক্ষ করা হয়েছে। রাজ্যের শাসকদল বলেছে, বিজেপির সমস্ত চেষ্টাই বৃথা হয়ে যাবে। কেননা বিজেপিতে জননেতার অভাব রয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর ওপরেই ভিত্তি করে বলেছেন, রাজ্যের এখনও জনপ্রিয়তম নেত্রী হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+