বাংলার শিল্পে জোয়ার আসতে চলেছে, বাঁকুড়ার শিল্পতালুক অধিগ্রহণে উদ্যোগী টাটাগোষ্ঠী
বছর পাঁচেক আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বাঁকুড়ার শিল্পতালুক। কাজ হারিয়েছিলেন বাঁকুড়ার শিল্পতালুকের শ্রমিকরা। তবে আবার তাদের মুখে হাসি ফুটতে চলেছে। আবার খুলতে চলেছে শিল্পতালুক।
বছর পাঁচেক আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বাঁকুড়ার শিল্পতালুক। কাজ হারিয়েছিলেন বাঁকুড়ার শিল্পতালুকের শ্রমিকরা। তবে আবার তাদের মুখে হাসি ফুটতে চলেছে। আবার খুলতে চলেছে শিল্পতালুক। সৌজন্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার, সৌজন্য টাটা শিল্পগোষ্ঠী। টাটার লগ্নিতেই ফের পথ চলা শুরু করবে বাঁকুড়ার শিল্পতালুক।

সম্প্রতি পুরুলিয়ায় রঘুনাথপুরে দেশের পাঁটচ সেরা শিল্প গোষ্ঠী কারখানা গড়তে উদ্যোগী বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তারপর টাটা গোষ্ঠী বাঁকুড়া শিল্পতালুকের বন্ধ কারখানাগুলি অধিগ্রহণের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছে। সেই খবর প্রকাশ্যে আসার পরই স্বভাবতই খুশির পারদ চড়েছে বাঁকুড়ার শিল্প কারখানার শ্রমিক শ্রেণির মনে।
কাজ হারিয়ে এতদিন অন্ধকারে ডুবেছিল যাঁদের পরিবার, তাঁরা আবার আলো দেখতে শুরু করেছেন টাটা গোষ্ঠীর কারাখানা অধিগ্রহণের ইচ্ছাপ্রকাশে। মমতার সরকার তৃতীয় মেয়াদে সরকারে এসে শিল্পের উপর জোর দিতে চলেছে। আসন্ন বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন শুরুর আগে টাটা গোষ্ঠীর এই ইচ্ছাপ্রকাশে আশার আলো দেখছে রাজ্যও। সম্প্রতি টাটা গোষ্ঠীর সঙ্গেও রাজ্যের সখ্যতা তৈরি হয়েছে। ফলে এবার রাজ্য টাটা গোষ্ঠীর লগ্নিতে বাঁকুড়া শিল্পতালুক নিয়ে ভালো কিছু স্বপ্ন দেখা শুরু করতেই পারে।
বিংশ শতাব্দীর নয়ের দশকে বাঁকুড়ার দ্বারিকা শিল্পতালুকের পথ চলা শুরু হয়েছে। এই শিল্পচতালুকে কাজ করতেন প্রায় আড়াই হাজার শ্রমিক। কিন্তু বছর পাঁচেক আগে নানা কারণে বন্ধ হতে শুরু করে একের পর এক কারখানা। অবশেষে পুরো শিল্পতালুকটাই বন্ধ হয়ে যায়। তা আবার খুলতে চলেছে। পরিস্থিতি বদল ঘটতে শুরু করেছে
সম্প্রতি বাংলায় শিল্পে জোয়ার আনতে চাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। দেশের পাঁচ শিল্প-সংস্থা পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে কারখানা গড়তে উদ্যোগী হয়েছে বলে পুরুলিয়ার শিল্পতালুকে ইস্পাত কারখানার উদ্বোধন করে শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন। তিনি জানান, দেশের পাঁচ বড় শিল্পোদ্যোগী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে এই মউ স্বাক্ষরিত হবে। পুরুলিয়ার রঘুনাথপুরে জঙ্গলসুন্দরী কর্মনগরীতে পাঁচ শিল্প সংস্থা শিল্পস্থাপনে উদ্যোগী হয়েছে। ফলে বাংলার বুকে শিল্পের জোয়ার আসতে চলেছে।
সম্র্াতি পুরুলিয়া সাঁতুড়ি ব্লকের পড়াডিহা গ্রামে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি ইস্পাত কারখানাকে পুনরুজ্জীবন দেয় শাকম্ভকী গ্রুপ। তারা এই ইস্পাত কারখানা অধিগ্রহণ করেছে। নতুন রূপে এসপিএস স্টিলস রোলিং মিলস লিমিটেড নামে পথ চলা শুরু করছে বন্ধ হয়ে যাওয়া ওই ইস্পাত কারখানা। নতুন এই শিল্পে ২০০ থেকে ৩০০ জনের কর্মসংস্থান হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। এদিন ইস্পাত কারখানার উদ্বোধনের পর প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগ আসতে চলেছে বলে জানান তিনি।












Click it and Unblock the Notifications