নারী নিগ্রহ, পাচারের ছবি ফুটে উঠেছে বাঁকুড়ার কেন্দুয়াডিহির পুজোর থিমে
বাঁকুড়ার পুজো মণ্ডপেও এবার প্রতিবাদের সুর। আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদ তো আছেই। সমাজের সর্বস্তরের নারীদের স্বাধীনতা চাইছেন পুজো উদ্যোক্তারা। নাবালিকা থেকে নারী পাচারের প্রতিবাদ চিত্র ধরা পড়েছে এবারের থিমে।
পুজো মণ্ডপের থিমেও উঠে এল নারী নির্যাতনের প্রতিবাদ ও নারী সুরক্ষার কথা। শহরের কাটজুড়িডাঙ্গা কেন্দুয়াডিহি ইলেকট্রিক সাবস্টেশন মোড় সার্বজনীন দুর্গা পুজো কমিটি এই ভাবনায় পুজো করছে। এবার তাঁদের রজত জয়ন্তী বর্ষের থিম 'চাই না হতে উমা'।

এবার ওই পুজো মণ্ডপের ভিতর বিভিন্ন ধরনের ছবি ও মডেল রাখা হয়েছে৷ নারী নির্যাতন, নারী পাচারের ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। সঙ্গে 'বন্দি আমি মুক্ত করো', 'আমরা কি শুধুই খেলনা'-র মতো শব্দবন্ধ রয়েছে মণ্ডপ জুড়ে। এছাড়া প্রতিমাও তৈরি হয়েছে থিমের সঙ্গে সাযুজ্য রেখেই।
এখানে একচালা প্রতিমা রয়েছে। লক্ষ্মী, সরস্বতীর মাথায় মুকুট রয়েছে। দেবী দুর্গার সন্তানরা ডাকের সাজের অলঙ্কারে সাজানো। কিন্তু উমার গায়ে কোনও গয়না নেই৷ একদম সাদামাটা। সাধারণ একজন মহিলার রূপ এখানে দেওয়া হয়েছে। দেবী দুর্গাকে মুকুট পর্যন্ত পরানো হয়নি। সব মিলিয়ে নারী নির্যাতন মুক্ত সমাজের ডাক দেওয়া হয়েছে এই মণ্ডপের থিমের মধ্য দিয়ে।
কাটজুড়িডাঙা কেন্দুয়াডিহি ইলেকট্রিক সাবস্টেশন মোড় সার্বজনীন দুর্গাপুজো এলাকায় যথেষ্ট প্রসিদ্ধ। কমিটির সম্পাদক বিনোদ কুমার আচার্য তাঁদের থিম ভাবনা ও উপস্থাপনা করেন। তিনি বলেন, এবার তাদের পুজোর বাজেট ১৬ লক্ষ টাকা। পাচার হয়ে যাওয়া মেয়ে, নারীদের অত্যাচার, তাদের সুরক্ষার বিষয়ে বার্তা দেওয়া হয়েছে পুজোর মধ্যে দিয়ে। গোটা দেশের সকল নারী সুরক্ষিত থাকুক। তেমনই তারা চাইছেন বলে জানান।
নিয়ম নিষ্ঠা মেনেই পুজো হবে। বাঁশ, লাঠি, বাটাম, প্লাই দিয়ে মণ্ডপ বানানো হয়েছে। এছাড়াও থার্মোকল রাখা হয়েছে। মণ্ডপের ভিতর ও বাইরে পেন্ট রং ব্যবহার করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications