প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের মধ্যে কত বছরের তফাৎ থাকা উচিত? বাঁকুড়ায় শুরু হল প্রচার
১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। ভারতের জনসংখ্যা ১৪০ কোটি এই মুহূর্তে। 'হাম দো হামারে দো' স্লোগান এক সময় খুবই জনপ্রিয় ছিল৷ প্রথম সন্তানের কত বছর পর দ্বিতীয় সন্তান নেওয়া উচিত? পরিবার পরিকল্পনা কীভাবে করা উচিত? সেই বার্তাই এখন দেওয়া হচ্ছে।
প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের মধ্যে নূন্যতম কত বছরের দূরত্ব থাকা উচিত, জানেন? সেই বার্তাই এবার ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে বাঁকুড়ায়। বাঁকুড়া জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের কার্যালয়ে এক ট্যাবলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল। গোটা শহরে এই ট্যাবলো ঘুরবে। এই কথা জানানো হয়েছে।

'দ্বিতীয় সন্তান যদি হয়, তিন বছরের আগে মোটেই নয়।' এই স্লোগানকে সামনে রাখা হয়েছে। জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতা তৈরিতে প্রচার চলছে বাঁকুড়ায়। আগামী ১১ জুলাই 'বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস'। সেই উপলক্ষ্যে প্রচার ও কর্মসূচি শুরু করল জেলা স্বাস্থ্য দফতর। সোমবার এই কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে ওই ট্যাবলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হল। উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা।
এই প্রসঙ্গে জেলা ডেপুটি সিএমওএইচ ৩ ডাঃ সজল বিশ্বাস বলেন, আগামী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। এই উপলক্ষ্যে একদিকে দুই সপ্তাহ ব্যাপি কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। অন্য দিকে জনসচেতনতা তৈরিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে৷ জেলা ব্যপী এই ট্যাবলোর মাধ্যমে প্রচার করা হবে। কিশোরী বয়সে অনেকে মা হচ্ছেন। এর ফলে মৃত্যুর শতকরা হারও বাড়ছে। এই সব বিষয়েও মানুষকে বোঝানো হবে।
'টিন এজ' অবস্থায় একজনও যাতে 'মা' না হয়। সেটি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সন্তান জন্মদানের একজন মায়ের অন্তত ২১ বছর বয়স হওয়া উচিত। প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের মধ্যে ন্যূনতম তিন বছর ব্যবধান রাখতে হবে। এছাড়াও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সমস্ত ধরনের সাহায্য ও পরামর্শ পাওয়া যাবে৷ সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকেই এই পরামর্শ পাওয়া যাবে বলে তিনি জানান।












Click it and Unblock the Notifications