Bankura: অঙ্গনওয়াড়ির খিচুড়িতে সিদ্ধ টিকটিকি! খেয়ে অসুস্থ বেশ কয়েকজন, খাতড়ার গ্রামে তুমুল বিক্ষোভ
ICDS Centre: কখনও সাপ, কখনও আরশোলা, আর এবারে অঙ্গনওয়াড়ির (ICDS) খিচুড়িতে মিলল টিকটিকি (lizard)। খাবারের সঙ্গে সিদ্ধ হয়েছে আস্ত টিকটিকি। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার (Bankura) খাতড়ার চকবাজার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের ঘটনা। সেই খাবার খেয়ে ফেলেন কয়েকজন। খবর চাউড় হতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা।
বাচ্চাদের পুষ্টির জন্য খিচুড়ি ডিমসেদ্ধ দেওয়া হয় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে। সকালে গিয়ে সেই খাবারও নিয়ে আসেন স্থানীয় গ্রামবাসীরা। খিচুড়ি নিয়ে বেশ কয়েকজন শিশু বাড়িতেও চলে যায়। খেয়েও নেয় বেশ কয়েকজন।

এরই মাঝে এক অভিভাবক লক্ষ্য করেন খাবারে টিকটিকি পড়েছে। ওই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় শোরগোল শুরু হয়ে যায় এলাকায়। খবর পেয়ে ওই এলাকায় যান খাতড়ার বিডিও দেবজিৎ রায়-সহ পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা।
ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় ওই এলাকায়। অভিভাবকদের দাবি, "এই ঘটনা নতুন কিছু নয়। এর আগে রান্না করা খাবারে নুনের পরিবর্তে সাবানের গুঁড়ো দেওয়া হয়েছিল। দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর অনুরোধে বিষয়টি সেভাবে প্রকাশ্যে আনা হয়নি।" তবে ওই কর্মীর দায়িত্বজ্ঞান হীনতার কারণেই এই ঘটনা বারবার ঘটেছে বলে তারা দাবি করেন।
অভিযুক্ত ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী নমিতা কর বলেন, "৫৭ জন উপভোক্তা এই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র থেকে খাবার পান। নুন-হলুদ দেওয়ার সময় ছাদের উপর থেকে কোন কারণে টিকটিকি পড়ে থাকতে পারে।" তবে এদিনের রান্না তিনি করেননি বলে দাবি করেন ওই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। একজন অস্থায়ী কর্মীকে দিয়ে রান্না করিয়েছিলেন বলে দায় এড়িয়ে গেলেন তিনি।
খিচুড়ি খেয়ে অসুস্থও হয়ে পড়েছেন বেশ কয়েকজন। তাদের স্থানীয় হাসপাতালেও নিয়ে যাওয়া হয়। এনিয়ে খাতড়ার বিডিও দেবজিৎ রায় বলেন, "মাত্র একজন খেয়েছে। বিষয়টি আমরা দেখছি।" হাসপাতালে গিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছিল বলে জানান তিনি। ঘটনাস্থলে মহকুমাশাসকও উপস্থিত হন। সব খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।












Click it and Unblock the Notifications