ধেয়ে আসছে Cyclone Yaas! এই আতঙ্কেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু এক ব্যক্তির
একেই বলে বরাত জোরে রক্ষা! গত কয়েকদিন ধরেই বাংলাতে এই সাইক্লোনের অভিমুখ হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তেমন কোনও বড় প্রভাব পড়েনি। কিন্তু ইয়াস আতঙ্কেই রাজ্যে মৃত্যু হল একজনের। জানা যাচ্ছে, সাইক্লোন আসছে, বড়
একেই বলে বরাত জোরে রক্ষা! গত কয়েকদিন ধরেই বাংলাতে এই সাইক্লোনের অভিমুখ হতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তেমন কোনও বড় প্রভাব পড়েনি। কিন্তু ইয়াস আতঙ্কেই রাজ্যে মৃত্যু হল একজনের। জানা যাচ্ছে, সাইক্লোন আসছে, বড় বিপদ ঘটে যেতে পারে।

আর সেই আশঙ্কাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল এক বৃদ্ধের। মৃতের নাম সন্তোষ লোহার (৬৫) বলে জানা যাচ্ছে। বাঁকুড়ার সিমলাপাল থানা এলাকার মাচাতোড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের তপুবাইদ গ্রামের ঘটনা।
ইয়াসের একটা বড় প্রভাব পড়তে পারে বাঁকুড়াতেও। এমনটাই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল হাওয়া অফিসের তরফে। সেই মতো বহু মানুষকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল নিরাপদ স্থানে। স্থানীয় সূত্রে খবর, ঝড় বৃষ্টির কারণে বাড়ির অন্যান্যদের সঙ্গে গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেন সন্তোষ লোহার নামে ওই বৃদ্ধ।
পরে বুধবার সকালে ওখানেই তিনি হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করেন। পরে সেখানেই মারা যান। পরিবারের তরফে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছায় সিমলাপাল থানার পুলিশ ও ব্লক ও স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকরা। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠিয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, বুধবার সকাল নটার আশপাশের ওড়িশার ধামড়ার কাছে ল্যান্ডফল করে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ইয়াস (cyclone yaas)। তবে আবহবিদরা এর সম্ভাব্য সময় দিয়েছিলেন দুপুরের দিকে।
একদিকে ঘূর্ণিঝড় আর অন্যদিকে ভরা কোটাল একইসঙ্গে এসে পড়ায় বিপাকে পড়েন উপকূল এলাকার বাসিন্দারা। দুর্ভোগ বেড়েছে তাঁদের।ঘূর্ণিঝড়ের আউটার ওয়াল, আই এবং টেল থাকে। আউটার ওয়ালই প্রবেশ করে ধামড়ায়।
এর পরে চোখ। তারপর লেজ প্রবেশ করতে ঘন্টা তিন থেকে চার। আবহাওয়া দফতর থেকে আগেই জানানো হয়েছিল সময় এগিয়ে এলে বিপদ বাড়তে পারে। আর হলও তাই।আবহবিদরা জানিয়েছিলেন, ঘূর্ণিঝড়ের আছড়ে পড়ার সময় যদি ভরা কোটাল থাকে তাহলে বিপদ তীব্র আকার নেবে।
আর হলও তাই। আগে থেকেই সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস ছিল। আর জলোচ্ছ্বাসের বড় কারণ ভরা কোটাল। ভরা কোটাল শুরু হয় ৯.১৫ নাগাদ। ঠিক তার আশপাশের সময়েই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ে। পূর্ণিমার প্রভাবে জোয়ারের জল সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছয় ১১.৩৭ মিনিটে।
ততক্ষণে নতুন করে অনেক এলাকাই প্লাবিত হয়েছে। আর যেসব এলাকা আগেই প্লাবিত হয়েছিল, সেইসব এলাকায় জল ফুলে-ফেঁপে ওঠে। পূর্ব মেদিনীপুরে দিঘা, মন্দারমনি, শঙ্করপুর, তাজপুর এলাকা এমন জলমগ্ন হয়ে পড়ে যে, বাসিন্দারা গত পঞ্চাশ বছরে এমন অবস্থা দেখেননি বলেই জানিয়েছেন।
অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরদ্বীপ, নামখানা, পাথরপ্রতিমা, বকখালি এলাকায় জল ঢুকে পড়ায় বিপাকে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।












Click it and Unblock the Notifications