Bankura: 'কিছু বিশ্বাস ঘাতক আছে', জয়ের পর হঠাৎ কাদের দিকে আঙুল তুললেন বাঁকুড়ার সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী
গতকাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলেন নেতা কর্মীদের সতর্ক করেছেন। কাজ করতে না পারলে ছেড়ে দিন। এমনই কড়া মন্তব্য করেছেন। তারপরেই বাঁকুড়া তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী দলের একাংশের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ করলেন।
'কিছু বিশ্বাস ঘাতক আছে, যারা তৃণমূলের খেয়ে বড় হয়েছে সেই বেইমানদের বিরুদ্ধে রাজ্যকে অভিযোগ জানাবো' বললেন বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্রের সদ্য নির্বাচিত তৃণমূল সাংসদ তথা দলের জেলা সভাপতি অরুপ চক্রবর্তী।

বৃহস্পতিবার সিমলাপালে 'জনসংযোগ ও শুভেচ্ছা বিনিময়' কর্মসূচীতে যোগ দিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি একথা বলেন। এরপরেই তিনি বলেন, দুষ্টু গোরুর চেয়ে শূণ্য গোয়াল অনেক ভালো। তাই দুষ্টু কুকুর আমি আর দলে রাখতে চাইনা। একই সঙ্গে দলে থাকা ওই সব ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারী দেন।
উল্লেখ্য, এবারের লোকসভা নির্বাচনে তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দী বিজেপির ডাঃ সুভাষ সরকারকে ৩২৭৭৮ ভোটে হারিয়ে প্রথমবার সাংসদ হিসেবে দিল্লি যাত্রার ছাড়পত্র আদায় করে নেন তৃণমূলের অরুপ চক্রবর্ত্তী। এরপরেও বাঁকুড়া পৌরসভা, বাঁকুড়া বিধানসভা সহ তাঁর ছেড়ে যাওয়া তালডাংরা বিধানসভা কেন্দ্রের হাড়মাসড়া সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে ভোটের বিচারে বিজেপির চেয়ে পিছিয়ে আছেন তিনি। আর তারপরই সাংসদ অরুপ চক্রবর্ত্তীর এই বক্তব্য যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক বলেই অনেকে মনে করছেন।
গত লোকসভা নির্বাচনে বাঁকুড়ায় জয় পায়নি টিএমসি। কিন্তু এবার ভাল ফল করেছে তারা। বিজেপির হাত থেকে ফের ছিনিয়ে নিয়েছে বাঁকুড়া লোকসভা কেন্দ্র। গত লোকসভা নির্বাচনে সায়ন্তিকাকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানকার মানুষ সায়ন্তিকাকে মেনে নেয়নি। ফলে বিজেপির জয়ের পথ সুগম হয়েছিল। কিন্তু এবার আর সেভুল করেনি শাসক দল। অত্যন্ত মেপে মেপে প্রার্থী নির্বাচন করেছে। ফলে বাঁকুড়ার ভূমিপুত্রকেই বেছে নিয়েছেন সেখানকার মানুষ।
প্রচারে কোনও খামতি রাখেননি অরূপ চক্রবর্তী। দিন রাত এক করে প্রচার চালিয়েছিলেন সেখানে। জয়ের পরেও দলে বেনোজল রয়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ। তাতেই বেশ রাজনৈতিক চাপান উতোর তৈরি হয়েছে। জয়ের পরেও কেন গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের আঁচ মিলছে বাঁকুড়া জেলায় এই নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।












Click it and Unblock the Notifications