Bhola: ভোলার গুঁতোয় প্রাণ গেল একজনের, জখম অনেকে! ষাঁড়ে সন্ত্রস্ত কাটোয়াবাসী, নির্বিকার প্রশাসন
Bhola: কাটোয়া দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ভোলা। এই ষাঁড়ই এখন কাটোয়াবাসীর কাছে ভীতির সবচেয়ে বড় কারণ। কাটোয়া শহরের বাজার-সহ নানা এলাকায় ভোলার দাপট তো আছেই, যত্রতত্র ঘুরে বেড়ায় অসংখ্য গরু।
ভোলার জন্যই পেনশনের টাকা আর তোলা হলো না বদরে আলম চৌধুরির। ষাঁড়ের গুঁতোয় তিনি প্রাণ হারালেন। এরপরই প্রশাসনের ভূমিকায় ক্ষোভ বাড়ছে কাটোয়ায়।

কাটোয়ায় এপিডিআরের সম্পাদক সুব্রত চৌধুরী শনিবার সকাল থেকেই কাটোয়ার আবাসন পাড়ায় একটি গাছে পোস্টার লাগান। যাতে লেখা হয়েছে, পৌরসভা, এসডিও এবং বন দফতরের কাছে আবেদন করা সত্ত্বেও কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। তার কারণেই প্রাণ গেল এক সহনাগরিকের। সুব্রত চৌধুরীরও ষাঁড়ের গুঁতো খাওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে কাটোয়ার কুড়ি নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বদরে আলম চৌধুরি পেনশনের টাকা তুলতে যাচ্ছিলেন ব্যাঙ্কে। সেই সময় কাটোয়ার স্টেশন বাজার চৌরাস্তার মোড়ে থাকা একটি ষাঁড় আচমকাই তাঁকে গুঁতিয়ে দেয়। উল্টিয়ে ফেলে দেয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে নিয়ে যাওয়া হয় কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে।
সেখান থেকে তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে রেফার করে দেওয়া হয়। পথেই সন্ধ্যা নাগাদ মৃত্যু হয় ওই ব্যক্তির। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, বেশ কয়েক বছর ধরে কাটোয়ার স্টেশন বাজার চৌরাস্তা মোড়ে বেশ কিছু ষাঁড় এবং গরুর উপদ্রব দেখা দিয়েছে। পথচলতি মানুষদের মাঝেমধ্যেই গুঁতিয়ে দেয় ষাঁড়। বিগত এক মাসে সংখ্যাটা ২০ থেকে ২৩-এর মধ্যে।
এক কথায় পথচারীকে গুঁতানোর ওস্তাদ ভোলা নামের ওই ষাঁড়টি। বিষয়টি পুরসভাকে জানিয়ে লাভ হয়নি। মহকুমাশাসকেও জানানো হয়। কোনও কাজ হয়নি। বন দফতরকে জানানোর পরও অব্যাহত থেকেছে ভোলার দাপট। কিন্তু এবার এক ব্যক্তির ষাঁড়ের গুঁতোয় মৃত্যু প্রশাসনের টনক নড়াবে কিনা তা নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন। রাস্তায় ঘুরে থাকা গরুর মালিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জোরালো হচ্ছে। সকলেই বলছেন, প্রশাসন ভোলার দাপট রুখতে পদক্ষেপ করলেই ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণহানি এড়ানো যেত।












Click it and Unblock the Notifications