Burdwan: বর্ধমান স্টেশনে ভেঙে পড়ল বিশাল জলের ট্যাঙ্ক, আতঙ্কে যাত্রীরা, পুলিশি অব্যবস্থার অভিযোগ
ওই ট্যাঙ্কের জলই সাধারণ মানুষের তেষ্টা মেটাতো। আর সেই ট্যাঙ্কই এখন বহু মানুষের মৃত্যুর কারণ। বর্ধমান স্টেশনে ঘটে গিয়েছে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা। বিশাল বড় জলের ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়েছে যাত্রীদের উপর৷ এই খবর লেখা পর্যন্ত তিন জন মারা গিয়েছেন।
গোটা স্টেশন এলাকায় আতঙ্ক৷ ছড়িয়ে পড়েছে৷ এই মুহূর্তে ওই স্টেশন এলাকা সম্পূর্ণ বন্ধ। ওই সমস্ত প্ল্যাটফর্ম দিয়ে ট্রেন চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। যাত্রীদের মধ্যে প্রবল আতঙ্ক। স্টেশনে থাকা হকার, অন্যান্য ব্যবসায়ীরা যেন ভয়ে কাঁপছেন। ওই ট্যাঙ্কের থেকেই তো নিত্য দিন জল আনা হয় খাবার জন্য।

বুধবার শীতের আমেজ ভালো মতোই গায়ে মেখেছে দক্ষিণবঙ্গ। শীতের পারদ নামায় একটু যেন ঝিমুনিই ছিল স্টেশন চত্বরে। বর্ধমান হাওড়া ও শিয়ালদহ দুই ডিভিশনেরই খুব গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। দূরপাল্লার গাড়িও এই স্টেশন থেকে লাইন বদল করে। অন্যান্য দিনের মতোই ব্যস্ততা ছিল বর্ধমান স্টেশনে।
২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্মের সংযোগে বিশাল জলের ট্যাঙ্ক ছিল৷ তার ঠিক পাশেই প্ল্যাটফর্মের শেড। আর সেই শেডের নীচে ট্রেন ধরার জন্য অপেক্ষা করছেন যাত্রীরা। উপরেই টিন দিয়ে তৈরি জলের ট্যাঙ্ক। জলের ধারা চুঁইয়ে পড়ছিল প্রথমে। কিন্তু তখনও যে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটবে, মনেও আসেনি কারোর৷
যাত্রীরা জানাচ্ছেন, হঠাৎই একটা বিকট আওয়াজ। উপর থেকে বিপুল পরিমাণ জল এসে পড়ল প্ল্যাটফর্মের যাত্রী শেডের উপরে৷ নিমিষে তুবড়ে, বেঁকে, ভেঙেচুরে পড়ল সেই শেড। নীচে চাপা পড়লেন যাত্রীরা। জলের তোড়ে প্ল্যাটফর্মেই পড়ে গেলেন অনেকে৷
উলটো দিকের প্ল্যাটফর্মের যাত্রীদের মধ্যে তখন আতঙ্ক। ২ ও ৩ নম্বর প্ল্যাটফর্ম তখন জলে ভেসে গিয়েছে। আহত হয়েছেন বহু সাধারণ যাত্রী। সাধারণ মানুষরাই তাদের উদ্ধার করে। পরে তাদের হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়৷ রেল পুলিশ যথাযথ ব্যবস্থা করেনি উদ্ধারের জন্য। এমন অভিযোগ উঠছে।
বর্ধমান হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কিন্তু কেন ঘটল এত বড় দুর্ঘটনা? ওই জলের ট্যাঙ্কের কি কোনও স্বাস্থ্য পরীক্ষাও হত না? রক্ষণাবেক্ষণ বলে কি কিছুই ছিল না?












Click it and Unblock the Notifications