বিজেপির ভোলবদল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে! ৫০০-র বদলে মিলবে ২ হাজার টাকা, নাকি সার প্রতিশ্রুতিই

বিজেপি নেতাদের কণ্ঠে এতদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে কটাক্ষের সুর শোনা গিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে অন্য সুর শোনা গেল রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতাদের কথায়।

বিজেপি নেতাদের কণ্ঠে এতদিন লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে কটাক্ষের সুর শোনা গিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে অন্য সুর শোনা গেল রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতাদের কথায়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি পঞ্চায়েত ভোটের আগে প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাখলেন তাঁরা ক্ষমতায় এলে ৫০০-র বদলে মিলবে ২ হাজার টাকা!

বিজেপির ভোলবদল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে! ৫০০-র বদলে মিলবে ২ হাজার

রাজ্য সরকারের আনা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে সর্বদাই নিন্দার সুর শোনা গিয়েছে বিজেপি নেতাদের গলায়। অথচ সেই প্রকল্পকে হাতিয়ার করেই পঞ্চায়েত ভোট প্রচারে গলা ফাটালেন সুকান্ত। শনিবার মিঠুন চক্রবর্তীকে মুখ করে দুর্গাপুরে এক কর্মী সম্মেলনে হাজির হয়েঠছিলেবসুকান্ত মজুমদার, সেখানেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি ঢালাও প্রতিশ্রুতি বন্যা বর্ষণ করলেন।

বিজেপির কর্মী-সম্মেলনে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, বিধায়ক বলেছেন হাত কেটে নেবেন। কেউ ভয় পাবেন না। কে করা হাত কেটে নেয় তা আমরা দেখে নেব। সব কয়লা চোর বালি চোরের ঠাঁই হবে জেলে। আর রাজ্যে সরকার গঠন করবে বিজেপি। তারপর বিজেপি ক্ষমতায় আসলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে ৫০০ টাকার বদলে দু'হাজার টাকা করে দেবো আমরা।

সুকান্ত মজুমদারের এই মন্তব্য ফের প্রমাণ করল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার হেলাফেলা প্রকল্প নয়। টাকার অঙ্ক বাড়িয়ে পঞ্চায়েত ভোটের আগে ভোটারদের মন জয়ের চেষ্টা করা ছাড়া বিজেপি এক্ষেত্রে বিরোধিতা করার সাহত দেখাতে পারল না। একপ্রকার তাঁরা মেনেই নিলেবন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাস্টারস্ট্রোক দেওয়া প্রকল্প লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে।

শনিবার সন্ধ্যায় বর্ধমান দুর্গাপুরের লাউদোহার ঝাঁঝরা কলোনিতে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে দলের কর্মী-সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই পঞ্চায়েত কর্মী-সম্মেলনে এক পক্ষের অভিযোগের তিরে বিদ্ধ হন দলেরই অন্য একটা পক্ষ। মিঠুন চক্রবর্তী ও সুকান্ত মজুমদারের উপস্থিতিতে সুযোগ পেয়েই পঞ্চায়েত ভোটের আগে অভিযোগ তুলে ধরেন নেতা-কর্মীরা। তবে এই কোন্দল বিজেপির পক্ষে বুমেরাং হতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

সুকান্ত মজুমদারের পর বক্তৃতা দিতে ওঠেন মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, "আজ আমি কিছু বলব না। সবার কথা শুনব।" এরপরেই তিনি মাইক তুলে দিতে বলেন দলের কর্মীদের হাতে। মাইক হাতে নিয়ে একের পর এক নেতা-কর্মী ক্ষোভ উগরে দেন দলের বিরুদ্ধেই। অনেকেই বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তাঁদের অবিযোগ ব্যক্ত করেন। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে চলে আসে।
সবার অভিযোগ শোনার পর মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, "দলের উপর ভরসা রাখুন, আপনাদের সবার সমস্যার সমাধান করব।" পাশাপাশি তিনি বলেন, "তৃণমূল রাজ্যজুড়ে সন্ত্রাস করছে, আসলে ওদের দেওয়ার কিছু নেই। তাই সন্ত্রাস করে মানুষের মুখ বন্ধ করে রাখতে চাইছে। তবে বেশিদিন এসব চলবে না। রাজ্যে বিজেপির সরকার হবে, তখন দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়ে উঠবে।"

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+