দেওরের সঙ্গে পরকীয়ায় মজে বউদি! ‘প্রেমে’র পরিণতিতে নৃশংস ঘটনায় শিউড়ে উঠবেন

দেওরের সঙ্গে পরকীয়ায় মজে বউদি! ‘প্রেমে’র পরিণতিতে নৃশংস ঘটনায় শিউড়ে উঠবেন

দেওর-বউদির পরকীয়ার নির্মম পরিণতি হল স্বামীর। মনুয়া-কাণ্ডের ছায়া এবার মালদহের বুকে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান দেওর-বউদির পরকীয়ায় জেরেই এই খুনের ঘটনা ঘটে। তারপর দেহ লোপাটের চেষ্টাও করা হয়। ইতিমধ্যে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে দু-জনকে। আটক করা হয়েছে মৃতের সন্তানকেও।

দেওরের সঙ্গে পরকীয়ায় মজে বউদি! ‘প্রেমে’র পরিণতিতে নৃশংস ঘটনায় শিউড়ে উঠবেন

স্বামীর হাত-পা বেঁধে, মাথা থেঁতলে খুনের অভিযোগ উঠল স্ত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, এই কাজে ওই মহিলাকে সাহায্য করেছিলেন স্বামীর এক পিসতুতো ভাই। বাড়িতেই সিঁড়ির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল দেহ। পুলিশ তা উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। আর অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। প্রয়োজনে এই ঘটনার পুনর্নিমাণও হতে পারে।

পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম রাম মুসোহর। বয়স ৩৭। হাত-পা ভেঙে, মাথা থেঁতলে তাঁর দেহ বাড়ির সিঁড়ির নিচে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ডেইলি মার্কেট এলাকায় এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাম মুসোহর রং মিস্ত্রির কাজ করত। কিন্তু সংসারে অশান্তি লেগেই ছিল তাঁদের। মদ্যপান নিয়ে প্রায়ই বতসা হল স্বামী-স্ত্রীর।

স্থানীয় সূত্রে জানান গিয়েছে, রাম প্রায় মদ্যপান করে এসে অশান্তি করত। স্ত্রী পঞ্চমীর সঙ্গে বচসা বাধত তা নিয়ে। এরই মধ্যে রামের পিসতুতো ভাই মনোজ দিল্লি থেকে হরিশ্চন্দ্রপুরে আসে। সেও রামের সঙ্গে রঙের মিস্ত্রির কাজ শুরু করে। দুই ভাই মিলে কাজে মন দেয়। রাম-পঞ্চমীর সঙ্গে মনোজ একই বাড়িতে থাকতেও শুরু করে।

এবার রাম ও পঞ্চমীর মধ্যে বিবাদ অন্যদিকে মোড় নেয়। মনোজের সঙ্গে পঞ্চমীর সম্পর্ক নিয়ে বিবাদ বাধে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে। রাম মদ্যপান করে অশান্তির মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। সম্প্রতি রাম প্রায় কাজকর্ম করতই নাষ মনোজই সংসার চালাত। আর তাঁকে সাহায্য করল রাম-পঞ্চমীর ছেলে বাপি। এই পরিস্থতি মনোজ-পঞ্চমীকে কাছাকাছি এনে দেয়। এরপর বাড়ি বিক্রি করে মনোজ ও পঞ্চমী অন্যত্র চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করে।

মনোজ ও পঞ্চমীর পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় রাম। প্রতিবেশীরা জানান, ক-দিন ধরেই অশান্তি আরও তীব্র হয়। মঙ্গলবার রাতে তাঁদরে বাড়িতে সিঁড়ির নিচে থেকে উদ্ধার হয় রামের দেহ। সেই দেহ লোপাটের চেষ্টাও হয়েছিল বলে অভিযোগ। রামের চেলে বাপিকে একটি গাড়ি ভাড়া করে আনতে বলা হয়েছিল। কিন্তু সে সম্যক বিষযটি জানত না বলেই জেরার মুখ্ জানিয়েছে।

প্রতিবেশীদের সন্দেহ হওয়ায় তাঁরা বাড়তে এসে দেখতে পান রামের দেহ সিঁড়ির নিচে। উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। তারপরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ এসে দেহ উদ্ধারের পাশাপাশি শাবল, গাঁইতি, দা ইত্যাদি অস্ত্রও উদ্ধার করা হয় ঘর থেকে। পুলিশের অনুমান মুখ চেপে ধরে পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে ভারী কিছু দিয়ে মাথায় আঘাত করে খুন করা হয়েছে। এরপর পুলিশ পঞ্চমী-মনোজকে গ্রেফতার করে এবং ছেলে বাপিকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+