ভোট দিয়েই ভোটাররা যাচ্ছেন মাংস - ভাত খেতে, জলপাইগুড়িতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ
একদিকে ভোটারদের লাইন। অন্য দিকে মুরগির মাংস আর ভাত খাওয়ার লাইন। এক দিকে চলছে গণতন্ত্রের উৎসব। অন্য দিকে চলছে খাওয়াদাওয়ার উৎসব। জলপাইগুডির রায়পুর চা বাগানে এমন ছবিই দেখা গেল৷ কিন্তু ঢালাও এই খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা কে করেছে?
জানা গিয়েছে, স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা প্রধান হেমব্রম এই মাংস ভাত খাওয়ানোয় আয়োজন করেছেন। ভোটের দিন এভাবে গোটা চা বাগান এলাকার বাসিন্দাদের খাওয়ানোর ব্যবস্থা কেন?

মাংস ভাত খাইয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে তৃণমূল৷ ভোটাররা যাতে তৃণমূলকে ভোট দেয়। সেজন্যই এমন কাজ। বিজেপির পক্ষ থেকে এই অভিযোগ করা হচ্ছে। পাতকাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের বন্ধ রায়পুর চা এলাকার ঘটনা এটি।
বাগান লাগোয়া এলাকাতেই সকাল থেকে রান্নার আয়োজন করা হয়েছিল। গরম ভাত আর ব্রয়লার মুরগির মাংসের ঝোলের গন্ধ চারদিকে তখন যেন ভেসে বেড়াচ্ছে। এছাড়াও ডাল, সবজির আয়োজন করা হয়েছিল৷ বাগান এলাকার সব বাসিন্দাদেরই খেতে যেতে আমন্ত্রণ জানানো হয়৷ বলা হয়েছিল, ভোট দিয়েই খেতে চলে আসতে।
গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল নেতা প্রধান হেমব্রমের উদ্যোগে মাংস খাওয়ার আয়োজন করা হয়৷ রিনু ওঁরাও, প্রকাশ মুন্ডা সাধারণ দুই বাসিন্দা জানিয়েছেন, ভোট দিয়ে তারা খেতে যাবেন। খেয়ে তারা বাড়ি ফিরবেন। প্রচুর সাধারণ মানুষ সেখানে মাংস - ভাত খাচ্ছেন। এই ঘটনা দেখা গিয়েছে।
বিজেপির পক্ষ থেকে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ করা হচ্ছে। কিন্তু এই অভিযোগ মানতে নারাজ ওই তৃণমূল নেতা। তিনি সাধারণ মানুষদের মাঝেমধ্যেই খাওয়ান। ভোটের দিন মাংস - ভাত খাওয়ানো বড় কিছু বিষয় নয়৷ বিজেপির অভিযোগকে গুরুত্বই দিলেন না প্রধান হেমব্রম।












Click it and Unblock the Notifications