উত্তরবঙ্গের প্রান্তিক গ্রাম থেকে ভাবায় গবেষণার জন্য যাচ্ছেন তুষার
গ্রামের লোকজন ট্রেনে করে কত জন কলকাতা গিয়েছেন। সেই বিষয়ে সন্দেহ আছে। বেলাকোবার জঙ্গল ঘেঁষা গ্রাম মালিভিটা৷ উত্তরবঙ্গের প্রত্যন্ত এলাকায় চিঠি এসে পৌঁছেছে। সুদূর মুম্বই থেকে ডাক পড়েছে। গ্রামের ছেলে তুষারের ডাক পড়েছে ভাবায়।
বৈকন্ঠপুর জঙ্গল ঘেঁষা ছোট্ট গ্রাম মালিভিটা।সেখান থেকে মুম্বইয়ের ভাবা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রে সাইন্টিফিক অফিসার হিসেবে গবেষণা করার সুযোগ পেলেন তুষারকান্তি রায়। পারমাণবিক গবেষণার ক্ষেত্রে দেশে ভাবা পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্রের নাম উঠে আসে সবার আগে।

বাংলার উত্তরবঙ্গের প্রান্তিক একটি গ্রাম থেকে এত বড় সংবাদ। দেশের এত বড় একটি সংস্থায় রাজগঞ্জ ব্লক থেকে এই প্রথম কেউ সুযোগ পেল। তাঁর এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত গোটা রাজগঞ্জ সহ বেলাকোবার বাসিন্দারা। এলাকায় পড়াশোনার চলও তেমন একটা ছিল না বলেই জানা গিয়েছে। তেমন কেউই উচ্চশিক্ষার জন্য এগিয়ে যাননি৷
তুষারকান্তি রায় বলেন, "চিঠি পাওয়ার পর দারুন আনন্দ হচ্ছে। দেশের এরকম একটি গবেষণা কেন্দ্রে বিজ্ঞানী হিসেবে কাজ করার স্বপ্ন অনেকদিন ধরে দেখছি। ওখানে যোগদান করার ছাড়পত্র পেয়েছি। কেমন জানি একটা ঘোরের মধ্যে আছি। মনে হচ্ছে স্বপ্ন সার্থক হল। আগামী দিনে দেশের জন্য কিছু করতে চাই।"
তুষারের এই সাফল্যে যারপর নাই খুশি তার জ্যাঠামশাই ও বর্তমান অভিভাবক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক অজিত রায়। তিনি বলেন, তুষার আগামী দিনে দেশের মুখ উজ্জ্বল করুক এই কামনা করি।" তুষারের বাড়ির টিনের চাল। টিন দিয়ে বাইরের দেওয়াল করা আছে। গ্রাম থেকে প্রথম মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেব তুষার। শিলিগুড়ি কলেজ থেকে রসায়ণে স্নাতক হন তিনি।
এরপর আইআইটির পরীক্ষায় বসেও সাফল্য। আইআইটি গুয়াহাটি থেকে এমসিএ করেন তিনি। সাফল্যের মুকুটে একের পর এক পালক রয়েছে তার।












Click it and Unblock the Notifications