মোট ২২৮ টি সিসিটিভি, নিরাপত্তায় এএসআই সহ পুলিশ কর্মী, মালদহ জেলা হাসপাতালের চিত্র বদল
অবশেষে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হল মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। বসানো হল সিসিটিভি ক্যামেরা। এই মুহূর্তে হাসপাতালে মোট ২২৮ টি সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। এর আগে সেই সংখ্যাটা ছিল ১৭১।
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুনের ঘটনা ঘটে। তারপর থেকেই সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। জুনিয়র চিকিৎসকরা আন্দোলন শুরু করেন। সরকারি হাসপাতালে সিভিক ভলেন্টিয়ার নয়। দক্ষ পুলিশ কর্মীদের নিরাপত্তার দায়িত্বে রাখতে হবে। এই দাবি তোলা হয়।

রাজ্যের অন্যান্য হাসপাতালেও জুনিয়র চিকিৎসকরা আন্দোলনে বসেন। শুরু হয় কর্মবিরতি। মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও কর্মবিরতি চলে। জেলা হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, রোগীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সরকার নিরাপত্তা, নজরদারি বাড়ানোর কথা বলেছিল। সেই মোতাবেক মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কাজ শেষ হয়েছে বলে খবর।
হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ থেকে হাসপাতাল ঢোকার মূল প্রবেশদ্বার সমস্ত জায়গায় লাগানো হয়েছে ক্যামেরা। বড় এলইডির মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা সিসিটিভি মনিটরিং করা হচ্ছে। দায়িত্বে থাকছেন পুলিশ আধিকারিকরা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ দিয়েছে, সিভিক ভলেন্টিয়ার সরানোর।
মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে সরানো হল সিভিক ভলেন্টিয়ারদের। এতদিন মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগে প্রায় ২০ জন সিভিক ভলেন্টিয়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সেই চিত্রটা বদলে গেল।
হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকছে পুলিশ কর্মী। প্রতি শিফটে একজন করে এএসআই পদমর্যাদা সম্পন্ন পুলিশ আধিকারিক সহ সাত জন পুলিশ কর্মী থাকছেন। হাসপাতালের জরুরি বিভাগ, ট্রমা কেয়ার ইউনিট সহ একাধিক ওয়ার্ডে নজরদারি চালাচ্ছেন পুলিশ কর্মীরা। নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো হওয়ায় রোগী ও রোগীর বাড়ির আত্মীয়রা খুশি।












Click it and Unblock the Notifications