ফ্যান হাতে স্কুলে ঢুকলেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব
ফ্যান হাতে স্কুলে ঢুকছেন শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব। হাকিমপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক - শিক্ষিকারা সকলেই অবাক। মেয়র চলে গেলেন ক্লাস সিক্সের সি সেকশনে। কথা বললেন, খুদে সহ নাগরিক শ্রেয়সী বণিকের সঙ্গে৷ গরমে স্কুলের ক্লাসঘরে খুব কষ্ট হয়৷ 'টক টু মেয়র' অনুষ্ঠানে এই কথাই জানিয়েছিল সে।
কলকাতা পুরসভা দীর্ঘ সময় আগে 'টক টু মেয়র' অনুষ্ঠান শুরু করেছে। কলকাতার মহা নাগরিক ফিরহাদ হাকিম এই অনুষ্ঠানে সাধারণ মানুষের সঙ্গে জন সংযোগ করেন। শিলিগুড়িতেও এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। মেয়র গৌতম দেব সাধারণ মানুষের কথা শোনেন এখানে। শনিবার এখানেই ফোন এসেছিল।

বড়রা সবাই টক টু মেয়রে নানান অভাব অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। ছোটরা পিছিয়ে থাকবে কেন? বড়দের মতো ছোট শ্রেয়সীও আবদার রেখেছিল টক টু মেয়রে। শনিবার টক টু মেয়র কর্মসূচি চলাকালীন হঠাৎ ই ফোন আসে হাকিমপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শ্রেয়সী বণিকের।
শ্রেয়সী জানায়, তাদের বিদ্যালয়ের ক্লাসরুমে ঠিক মতো পাখা চলে না। নেই পর্যাপ্ত পরিমাণে পাখা। যার জন্য এই গরমে স্কুলে ক্লাস করতে সমস্যা হয়৷ খুবই গরম লাগে।
ছোট্ট প্রেয়সীর কথায় সেদিন আপ্লুত হয়ে পড়েন মেয়র গৌতম দেব। তিনি তাকে কথা দেন শীঘ্রই তাদের বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন তিনি।
রবিবার ছিল ছুটির দিন। সোমবার সকালে নির্দিষ্ট সময়ে স্কুলের পড়াশোনা শুরু হয়েছিল। হাকিমপাড়া বালিকা বিদ্যালয়ে পৌঁছে যান মেয়র গৌতম দেব। দুটি পাখা নিয়ে নিজেই হাজির হন তিনি।
প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে দেখা করেন। তারপর সোজা চলে যান ষষ্ঠ শ্রেণির সি সেকশনে। সেখানে গিয়ে দেখা করেন সেই ছোট্ট ছাত্রী শ্রেয়সী বণিকের সঙ্গে। কথা বলেন সহ নাগরিকের সঙ্গে। শ্রেয়সীর কথা রেখেছেন মেয়র। পাখাগুলি তুলে দেন মেয়র বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষর হাতে।
মেয়র গৌতম দেব জানান, তিনি খুশি যে তার এই টক টু মেয়র স্বার্থকতা পেয়েছে। বড়দের পাশাপাশি ছোটরাও স্যোশাল মাধ্যমকে ব্যাবহার করছে। নিজেদের অসুবিধের কথা জানাচ্ছে। স্কুলের অন্যান্য ঘরেও পর্যাপ্ত পাখার ব্যবস্থা করা হবে। এই কথা বলেন মেয়র।












Click it and Unblock the Notifications