হাত থেকে জোড়া ফুলে, মালদহে কংগ্রেস থেকে তৃণমূলে পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান সহ সাত সদস্য
কংগ্রেস গড়ে তৃণমুলের শক্তি কিছুটা বাড়ল। মালদহে আরও একটি গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রধান,উপপ্রধান সহ কংগ্রেসের ছয় জন সদস্য এবং সিপিএমের একজন সদস্য যোগদান করল তৃণমূল কংগ্রেসে।
ফলে হাত থেকে সেই পঞ্চায়েত হয়ে গেল জোড়া ফুলের। ২০২৩ সালে রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়। ১৫ টি আসন পেয়ে একক ভাবে কালিয়াচক এক নম্বর ব্লকের সিলামপুর দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছিল কংগ্রেস। কিন্তু বছর ঘুরতেই কংগ্রেস শিবিরে ভাঙন। ওই পঞ্চায়েত দল বদলের জেরে তৃণমূলের হয়ে গেল।

কালিয়াচক এক নম্বর ব্লকের সিলামপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ২১। ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচনে কংগ্রেস পেয়েছিল ১৫ টি আসন। শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছিল ৫ টি আসন। সিপিএম পেয়েছিল ১ টি আসন পেয়েছিল। প্রধান নির্বাচিত হয়েছিলেন কংগ্রেসের ফিরোজা খাতুন। উপপ্রধান নির্বাচিত হয়েছিলেন মাইউল ইসলাম।
আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রধান, উপপ্রধান সহ ছয় জন এবং সিপিএমের একজন সদস্য তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করলেন। তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা গিয়ে দাঁড়াল ১২ তে। ফলে স্বভাবতই এই গ্রাম পঞ্চায়েত এখন থেকে দখল নিল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে জেলা সভাপতি তথা বিধায়ক আব্দুর রহিম বক্সির হাত ধরে কংগ্রেসের প্রধান, উপপ্রধান সহ ৬ জন সদস্য এবং সিপিএমের একজন সদস্য এদিন আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করেন।
দলত্যাগী উপপ্রধান মইউল ইসলামের দাবি, দলে থেকে কোনও কাজ করতে পারছিলেন না। তাই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়া। সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করার মনোভাব নিয়ে যোগদান করলেন তিনি। জেলা সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সী বলেন, এই গ্রাম পঞ্চায়েত আমরা দখল করলাম। বিজেপি চক্রান্ত করে রাজ্যটাকে ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা করছে। ঠিক তখনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নকে সমর্থন করে এই যোগদান।
কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি কালীসাধন রায় বলেন, কে দল ছেড়ে গেল, সেই বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয় না। সাধারণ মানুষ পাশে রয়েছে।পশ্চিমবঙ্গ সরকার তাদের কাজ করতে দিচ্ছিল না। কাজ না করলে দুর্নীতি করতে পারছিল না তারা। তাই তৃণমূল কংগ্রেস গিয়ে যোগদান করেছে।












Click it and Unblock the Notifications