অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ পাকিস্তানি মা - ছেলের, দার্জিলিং পুলিশের হাতে পাকড়াও
এক কিশোরকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় হাঁটছিলেন এক মহিলা। সন্দেহ হওয়ায় এসএসবি জওয়ানরা তাদের দাঁড় করান। মহিলার ব্যাগ তল্লাশি করতেই বেরিয়ে পড়ে পাকিস্তানের পাসপোর্ট ও অন্যান্য নথি। কিন্তু ভারতে ঢোকার কোনও অনুমতি তাদের ছিল। অনুপ্রবেশকারী হিসেবে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে।
ভারতের দার্জিলিঙের কাছে খড়িবাড়ির পানিট্যাঙ্কি সীমান্তে দুই পাকিস্তানি গ্রেফতার। ভারত নেপাল সীমান্তে ওই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাকিস্তানী মহিলার ছেলে ওই বছর এগারো বয়সের কিশোর। অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন তারা। এসএসবি ৪১নং ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানদের হাতে আটক করা হয় পাকিস্তানী মহিলা ও কিশোরকে।

ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর ধৃতদের খড়িবাড়ি পুলিশের হাতে তুলে দেয় এসএসবি। নেপালের ভিসা ছিল তাদের কাছে। তাহলে কেন তারা ভারতে প্রবেশ করলেন? সেই প্রশ্নের সঠিক উত্তর খোঁজা হচ্ছে। ৬২ বছর বয়সী ওই মহিলার নাম শায়িস্তা হানিফ। কিশোরের নাম আরিয়ান মহম্মদ হানিফ।
ধৃত মহিলাকে আজ শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি ওই কিশোরকে দার্জিলিং জুভিনাল কোর্টে পাঠানো হয়েছে। ধৃত মহিলা অসমের বাসিন্দা বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। অসম থেকে কাজের সূত্রে মুম্বইয়ে গিয়ে পাকিস্তানী পুরুষের সঙ্গে সক্ষতা ও পরিচয়। পরে বিয়ে করে পাকিস্তানে যান মহিলা। পরে কাজের সূত্রে সৌদি আরব যান মহিলা ও তার স্বামী। ভারতের ভিসা না পেয়ে নেপাল ঘোরার জন্য ভিসা করেন তিনি।
এবার ভারতে প্রবেশ করতে গিয়ে গ্রেফতার হন মহিলা। যদিও এই কথা কতটা বিশ্বাসযোগ্য? সেই প্রশ্ন ইতিমধ্যেই উঠেছে। জানা গিয়েছে, মহিলার পাসপোর্টের মেয়াদ ২০৩২ সাল পর্যন্ত আছে। কিশোরের পাসপোর্টের মেয়াদ রয়েছে ২০২৭ সাল পর্যন্ত। পাসপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, দুজনেই পাকিস্তান থেলে সৌদি আরব গিয়েছিলেন।
জানা গিয়েছে, উত্তর ২৪ পরনায় ওই মহিলার এক বোন থাকেন। সেই বোনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন তিনি। সেজন্যই বৈধ কাগজপত্র না থাকা সত্ত্বেও তিনি ভারতে চলে এসেছিলেন! সব দিক দেখেই তদন্ত চালানো হচ্ছে। এমনই জানিয়েছে পুলিশ।












Click it and Unblock the Notifications