NB Flood Situation: ফুঁসছে তিস্তা, বন্ধ একাধিক রাস্তা! গ্যাংটকে আটকে দেড় হাজার বাংলার পর্যটক
North Bengal Flood Situation: পাহাড় কিংবা সমতল! স্বপ্নের তিস্তা আজ যেন বিভীষিকা হয়ে উঠেছে পাহাড়ের বসবাসকারী মানুষের কাছে। ২০২৩ সালের ৪ই অক্টোবর। তিস্তার ভয়ঙ্কর তাণ্ডবের সাক্ষী থেকেছিল সেখানকার মানুষ। আর তা মনে পড়লে আজও আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পাহাড়ের মানুষ। বুকে ভয় ধরায়।
সিকিম ও কালিম্পংকে ক্রমাগত নাস্তানাবুদ করে চলেছে ভয়ঙ্করী এই তিস্তা। থেমে নেই এখনও। এবারও সিকিম ও কালিম্পংয়ে প্রবল বর্ষণে তিস্তার ভয়ংকর রূপ (North Bengal Flood Situation) সামনে এসেছে।

একেবারে বিপদসীমার উপর দিয়ে বয়ে চলা তিস্তার গ্রাসে সড়ক পথ থেকে বসবাসের বাড়ি, সবটাই মিলীন হয়ে যাচ্ছে। তিস্তার আতংকে বহু মানুষ ঘর ছাড়া। বন্ধ বহু সড়ক পথ। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে বেশ কিছু এলাকায় যানবাহন চলাচলে বিধি নিষেধ এনেছে কালিম্পং প্রশাসন।
বিপদ এড়াতে ছোট যানবাহন বাদ দিয়ে সমস্ত বড় গাড়ি চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে। তবে এহেন নির্দেশ বেশিদিনের জন্য নয়। এমনটাই জানিয়েছেন কালিম্পংয়ের জেলা শাসক শ্রী বালাসুব্রমুনিয়া। তিনি জানান, বর্তমানে তিস্তা ভয়ংকর গতিতে প্লাবিত হচ্ছে। সিকিমে কোন বাধ না থাকায় বৃষ্টির জল সরাসরি তিস্তা হয়ে এরাজ্য প্রবেশ করছে। যার দরুন অল্প বৃষ্টিতে তিস্তার জল দ্রুত বেরে উঠছে।
সেই কারণে যানবাহনের ক্ষেত্রে বিশেষ কিছু নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছে। কিছু যানবাহনকে ঘুর পথে লাভা, গরুবাথান হয়ে শিলিগুড়ি যাওয়া আসার কথা বলা হয়েছে। এইন অবস্থায় বিপদের মধ্যে পড়েছেন বহু পর্যটক। প্রবল গরমে অসহ্য কর পরিবেশ দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে। একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহ বইছে। শান্তির খোঁজে দার্জিলিং-কালিম্পংয়ে ভিড় জমিয়েছেন বহু মানুষ। কিন্তু প্রবল বৃষ্টিতে মাথায় হাত।
যা খবর, এখনও গ্যাংটকে প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি বাংলার পর্যটক আটকে রয়েছে। তাদের ঘুর পথে লাভা হয়ে বিকল্প রাস্তা দিয়ে সমতলে নামানোর চেষ্টা করছে সেখানকার প্রশাসন। কিন্তু আবহাওয়া খারাপ থাকায় থমকে যাচ্ছে সেই চেষ্টা।
বিপর্যস্ত সিকিমকে স্বাভাবিক করতে নামানো হয়েছে ভারতীয় সেনা। আর সিকিম পাহাড়ে বৃষ্টির জেরে তিস্তা নদীর জলস্তর এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে সমতলের সৃষ্টি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। স্টার জল ঢুকতে শুরু করেছে জলপাইগুড়ি জেলার ক্রান্তি ব্লকের বেশ কয়েকটি গ্রামে।জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বহু পরিবার। স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্যে ইতিমধ্যে নদী বাঁধের উপরে প্লাস্টিকের অস্থায়ীভাবে তাঁবু টানিয়ে তারা আশ্রয় নিয়েছে। রাতের ঘুম উড়েছে স্থানীয়দের। এদিকে সমস্ত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সজাগ রয়েছে জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন।












Click it and Unblock the Notifications