কালিম্পংয়ের বহু জায়গায় ধস, তিস্তা নদীতে জারি হলুদ সতর্কতা
সিকিম ও ভুটানে ভারী বৃষ্টি চলছেই। তার জেরে বিপজ্জনক রূপ নিয়েছে পাহাড়ি তিস্তা। রাজ্যের উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং জেলায় ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। কালিম্পংয়ের একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে রাস্তায়। ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির রেশ কিছুতেই কাটছে না উত্তরবঙ্গে। প্রতি সপ্তাহেই বৃষ্টির সতর্কতা জারি করছে হাওয়া অফিস। শনিবার থেকে আবারও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে উত্তরবঙ্গে। তার জেরে বিপর্যস্ত জনজীবন।

সিকিম, ভুটানে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি পরিস্থিতি যথেষ্ট আশঙ্কার ভুটানের নদীগুলো ক্রমশ বিপজ্জনক রূপ নিচ্ছে। আর সেই জল এসে পড়ছে রাজ্যের উত্তরবঙ্গের নদীগুলোতে। তিস্তা নদীতে ফের বাড়ছে জলস্তর। বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে তিস্তা নদীর জল।
গতকাল শনিবার থেকেই কালিম্পং এলাকায় ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। রবিবারও অবিরাম বর্ষণ চলছে। বিভিন্ন জায়গায় রাস্তায় ধস নেমেছে। ১৯ মাইল থেকে গেইলখোলা পর্যন্ত এলাকার রাস্তায় ধস নেমেছে। ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের অনেক জায়গাই এখন ধসের কবলে। যাতে কোনও বিপদ না হয়, সেজন্য গত সপ্তাহ থেকেই এই গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা যাতায়াতের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।
এদিকে তিস্তায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সিকিম পাহাড়ে রাতভর বৃষ্টির জেরে তিস্তায় আবার জলস্ফীতি। রবিবার সকালে গজলডোবা তিস্তা ব্যারেজ থেকে জল ছাড়া হয়েছে। ২৬০০ কিউসেকের বেশি জল ছাড়া হয়েছে। এর জেরে চলতি মরশুমে এই প্রথম তিস্তার দোমহনী থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত অসংরক্ষিত এলাকায় হলুদ সতর্কতা জারি করল সেচ দফতর।
গত ২৪ ঘন্টায় জলপাইগুড়িতে বৃষ্টি হয়েছে ১৩৬ মিলিমিটার। পাহাড়ে ধারাবাহিকভাবে বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী দুই তিন দিনও ভারী বৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে। ফলে আরও জল বাড়বে তিস্তায়। তাহলে কি ফের তিস্তার জলে প্লাবিত হবে চারপাশ? সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।












Click it and Unblock the Notifications