Kanchenjunga Express Accident: ভোর থেকেই খারাপ সিগন্যাল! কাঞ্চনজঙ্ঘা দুর্ঘটনার নেপথ্যে চাঞ্চল্যকর কারণ
Kanchenjunga Express Accident: কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে গিয়ে কীভাবে ধাক্কা মারল মালগাড়ি? রাঙাপানিতে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পিছনে সেই কারণ খোঁজার চেষ্টা চলছে।
মালগাড়ির চালক ও কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের গার্ডের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা আহত অবস্থায় থাকলেও কিছুটা অনুমান করা যেত পরিস্থিতি। তবে এরই মধ্যে রেল সূত্রে সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য।

রেলের তরফে জানানো হচ্ছিল, মালগাড়িটি সিগন্যাল অমান্য করাতেই এই দুর্ঘটনা। যদিও রেল সূত্রকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থার দাবি, ভোর থেকেই স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং ব্য়বস্থায় ত্রুটি ছিল। ফলে দুর্ঘটনার পিছনে সেই ত্রুটিই কারণ কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
রেল সূত্রের দাবি, ভোর ৫টা ৫০ মিনিট থেকে রানিপাত্র ও চটের হাট স্টেশনের মধ্যে অটোমেটিক সিগন্যালিং সিস্টেমের ত্রুটি ধরা পড়েছিল। ১৩১৭৪ রাঙাপানি স্টেশন পার করেছিল সকাল ৮টা ২৭ মিনিটে। সিগন্যালিং ব্যবস্থায় ত্রুটির কারণে ট্রেনটিকে রানিপাত্র ও চটের হাট স্টেশনের মধ্যে দাঁড় করানোও হয়েছিল।
সিগন্যালে সমস্যা হলে স্টেশন মাস্টার টিএ ৯১২ ইস্যু করে থাকেন। তাতে লাল সিগন্যাল থাকলেও সেগুলিকে অতিক্রম করার জন্য ট্রেন চালককে অনুমতি দেওয়া হয়। সূত্রের দাবি, রানিপাড়া স্টেশনের স্টেশন মাস্টার টিএ ৯১২ ইস্যু করেছিলেন ১৩১৭৪ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের জন্য।
রেলের এক আধিকারিকের দাবি, মালগাড়িটি রাঙাপানি পেরিয়েছিল সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে। সেটি গিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে ধাক্কা মারে। তাতে গার্ডের বগি, দুটি পার্সেল কোচ ও একটি জেনারেল বগির ব্যাপক ক্ষতি হয়। এড়ানো যায়নি প্রাণহানি।
টিএ ৯১২-র তথ্য থেকেই তদন্তে বেরিয়ে আসবে মালগাড়িটিকে লাল সিগন্যালগুলি অতিক্রমের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল কিনা। নাকি লোগো পাইলটই ত্রুটিপূর্ণ সিগন্যালের যে নিয়ম রয়েছে তা লঙ্ঘন করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, যেখানে লাল সিগন্যাল থাকবে টিএ ৯১২ ইস্যুর পর সেখানে ১ মিনিট ট্রেন দাঁড়াবে, তারপর এগিয়ে যাবে ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার বেগে।
ইন্ডিয়ান রেলওয়ে লোকো রানিংমেন অরগানাইজেশনের কার্যকরী সভাপতি সঞ্জয় পান্ধি বলেছেন, যেখানে লোকো পাইলট মারা গিয়েছেন এবং সিআরএস তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ হয়নি, তখন লোকো পাইলটের গাফিলতিতে দুর্ঘটনা ঘটেছে এটা বলা যায় না। যদিও রেলওয়ে বোর্ডের চেয়ারপার্সন জয়া ভার্মা সিনহা বলেছেন, মালগাড়িটি সিগন্যাল অমান্য করাতেই দুর্ঘটনা।
এদিকে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের ক্ষতিগ্রস্ত বগিগুলিকে আলাদা করে ট্রেনটিকে শিয়ালদহের দিকে পাঠানো হয়েছে। বাকি ট্রেনগুলি ঘুরপথে চলবে। দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন রেলমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications