Train Accident: সিগনালিং সমস্যার কারণেই দুর্ঘটনা, কাঞ্জনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ৫ আহত ৩০
কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনার কারণ সিগন্যালিং সমস্যা জানিয়ে দিল রেল। ইতিমধ্যেই কন্ট্রোল রুমে পৌঁছে গিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণো। রেলের উচ্চ পদস্থ আধিকারীকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। এখনও পর্যন্ত ৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। পুলিশের তরফে সেই তথ্য জানানো হয়েছে। যদিও রেলের দাবি ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে ৩০ জন।
তবে এখনও একটি দুমরে মুচরে যাওয়া কামরা থেকে উদ্ধারকাজ চালাতে পারছেন না রেলের কর্মীরা। গ্যাস কাটার দিয়ে কেটে তবে সেখান থেকে বের করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে মালগাড়ির চালক মারা গিয়েছেন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ করছেন। ফের রেলের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। একই লাইনে কীভাবে মালগাড়ি এলো তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

গতবছর ঠিক জুন মাসেই ওড়িশার বালেশ্বর স্টেশনের কাছে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা ঘটেছিল। সেখানেও একইভাবে একই লাইনে চলে এসেছিল িতনটি ট্রেন। সেই দুর্ঘটনায় প্রায় ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ঘটনাস্থলে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে উদ্ধারকাজ চালিয়েছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণো। ফের একই ভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটায় রেলের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই লাইনে বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো দ্রুত গতির ট্রেনও চলে। সেখানে এই সিগন্যালিং ট্রেনের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠিয়ে দিয়েছে। করমণ্ডল এক্সপ্রেসে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবেও সিগন্যালিংয়ে ত্রুটি ছিল বলে জানিয়েছিল রেল আবার এই কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার একই কারণ হওয়ায় যাত্রী সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব দিল্লিতে কন্ট্রোলরুমে পৌঁছে গিয়েছেন। তিনি নিয়ে উদ্ধারকাজের তদারকি করছেন।
করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনার থেকেও কেন শিক্ষা নিল না রেল। যেখানে অত্যাধুনিক পরিষেবার রেল চালানো হচ্ছে। বন্দেভারত এক্সপ্রেসের মতো দ্রুত গতির ট্রেন চালানো হচ্ছে সেখানে এই ধরনের সিগন্যালিংয়ের ত্রুটি বারবার কেন তৈরি হচ্ছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। রেলের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে। সিগন্যালিং সিস্টেম চারবার খতিয়ে দেখার কথা দিনে। কিন্তু সেরকম কোনও কিছুই করা হয় না। একবার কি দুবার খতিয়ে দেখেই ছেড়ে দেওয়া হয়। মালগাড়িরতে কোনও রেলের সুরক্ষা কবচ থাকে না।
রেলের তরফে ইতিমধ্যেই সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে উদ্ধারকাজের জন্য। কিন্তু উত্তরবঙ্গে একাধিক জায়গায় প্রবল বর্ষণ চলছে। সেকারণে একাধিক জায়গায় সেনাবাহিনী কাজ করছে। সেকারণে সেনাবাহিনী পর্যাপ্ত পরিমানে পাওয়া যাচ্ছে না। যদিও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর, দমকল, পুলিশ পৌঁছে গিয়েছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও সেখানে পৌঁছে গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications