ইসরো ডেকে পাঠালো বাংলার নবম শ্রেণির ছাত্রী অর্পিতাকে, সেখানে মহাকাশ বিজ্ঞানের প্রশিক্ষণ পাবে সে?
ইসরোর চিঠি এসেছিল বাড়িতে। ডাক পড়েছে সেখানে। মহাকাশ বিজ্ঞান নিয়ে কর্মশালা হবে। সেখানে যোগ দিতে গেল নবম শ্রেণির অর্পিতা সাহাকে। বালুরঘাটের পতিরাম এলাকার অর্পিতা এখন খুব উত্তেজিত।
বাবা - মায়েরও এই সাফল্য বিশ্বাস করতে খানিক সময় লেগেছিল। ইসরোতে থেকে ডাক পেয়েছে তাদের কিশোরী মেয়ে? চন্দ্রাভিযান, গগণ যান... মহাকাশ বিজ্ঞানের এক অন্যতম পীঠস্থান ইসরো। সেই অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধবন স্পেস সেন্টারে গেল সে।

শুধু যাওয়াই নয়, ১৪ দিন ধরে সেখান থাকবে৷ পঠনপাঠন সহ নানা গবেষণামূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে। আগামীতেও মহাকাশ গবেষণা নিয়ে পড়ার সুযোগ থাকবে বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু কীভাবে হল এই সব?
জানা গিয়েছে, অর্পিতা সাহা পাতিরাম বিবেকানন্দ গার্লস হাইস্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্রী। ইসরোর সর্ব ভারতীয় স্তরের একটি পরীক্ষার মাধ্যমে ওই সুযোগ পেয়েছে অর্পিতা। গত মার্চ মাসে অনলাইনে ইসরোর 'যুবিকা' নামক একটি পরীক্ষায় বসে অর্পিতা। এরপরেই সম্প্রতি এই পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়। ইসরো থেকে অর্পিতাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে।
সাধারণ পরিবারের ছাত্রী অর্পিতা। বাবা দীপঙ্কর সাহা হাটে হাটে ধান চালের ব্যবসা করেন। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি তিনি৷ মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ইসরোর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছে বাবা। মা বর্ণা সাহার মুখেও খুশি। মেয়ের সাফল্যে আনন্দিত তিনি।
ছোট থেকেই পড়াশোনার প্রতি মনোযোগ ও আকর্ষণ অর্পিতার। এছাড়াও সে কবিতা লেখে। আঁকা, নাচ এইসব বিষয়েও তার আগ্রহ আছে। ছবিও আঁকে সে। আগামীতে মহাকাশ বিজ্ঞানের উপর কাজ করতে চায় সে।
জানা গিয়েছে, রাজ্যে জুড়ে নামমাত্র পড়ুয়া ইসরো থেকে ডাক পেয়ে থাকে। তার মধ্যে এবার পতিরামের অর্পিতা রয়েছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই খুশির হাওয়া জেলা জুড়ে। বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন অর্পিতা ও তার বাবা।












Click it and Unblock the Notifications