Guru Purnima: গুরু পূর্ণিমা পালন বেলুড় মঠে! রামকৃষ্ণ মিশনের বিভিন্ন শাখায় বিশেষ অনুষ্ঠান
বেলুর মঠ-সহ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের বিভিন্ন শাখায় সোমবার গুরু পূর্ণিমা (Guru Purnima) উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানে র আয়োজন করা হল। সমবেত জপ-ধ্যান, বৈদিকমন্ত্রপাঠ, গুরু- বন্দনা, স্ত্রোত্র, , কথামৃতপাঠ, গুরু তত্ত্ব ও গুরু গীতা , গুরু পূর্ণিমার মহাত্ম্য এছাড়াও রামকৃষ্ণ শরণম, পুষ্পাঞ্জলি সহ অন্যান্য অনুষ্ঠান।
সমবেত জপ- ধ্যান করান রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী শিবপ্রেমানন্দজি মহারাজ। গুরু পূর্ণিমার (Guru Purnima) মহাত্ম্য সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিস্তারিত পাঠ করেন অন্যান্য মহারাজ ওসন্ন্যাসী বৃন্দরা। সকাল থেকেই ভক্তদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে আশ্রমে । বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে দিনটি পালিত হয় গুরু পূর্ণিমা।

জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের সম্পাদক স্বামী শিবপ্রেমানন্দজি মহারাজ বলেন, প্রতিবছরের মতো এবছরেও গুরু পূর্ণিমার (Guru Purnima) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই দিনটি আর্ধ্যাত্মিক জীবনের জন্য খুবই উন্নত। তিনি আরও বলেন, ৪ জুলাই রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের ১২৫তম বর্ষ উপলক্ষে ইয়ুথ কনভেনশনের আয়োজন করা হয়েছে।
গুরু পূর্ণিমায় ভক্তদের ঢল নামলো বেলুড় মঠে। সোমবার শ্রদ্ধার সঙ্গে পালিত হয় গুরু পূর্ণিমা। দীক্ষাগুরুদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এদিন অগণিত ভক্ত বেলুড় মঠে উপস্থিত হন। বিশেষ এই দিনে বহু দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা এদিন তাঁদের দীক্ষাগুরুকে প্রণাম ও শ্রদ্ধা জানাতে এবং মহারাজের আশীর্বাদ নিতে বেলুড় মঠে আসেন।
এমনিতেই সারা বছরই নিয়ম মতো ভক্তরা নিজ নিজ বাড়িতে গুরু প্রণাম করলেও এই বিশেষ দিনে তাঁরা স্বশরীরে বেলুড় মঠে এসে দীক্ষা গুরুকে প্রণাম নিবেদন করেন। পূজা করেন। এবং দীক্ষাগুরুর আশীর্বাদ নেন। এই উপলক্ষে বেলুড় মঠের মহারাজেরা ভক্তদের প্রণাম নেন ও আশীর্বাদ দেন। এদিন ভোর থেকেই ভক্তদের লম্বা লাইন চোখে পড়ে বেলুড় মঠের গেটে।
সাদা পদ্ম নিয়ে ভক্তরা এসেছিলেন গুরু দর্শন, প্রণাম ও আশীর্বাদ গ্রহণের জন্য। মঠের নিয়মমতো প্রেসিডেন্ট মহারাজ এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট মহারাজরাই দীক্ষা দিতে পারেন। সেইমতো মঠের প্রেসিডেন্ট মহারাজ এবং অন্যরাও প্রণাম গ্রহণ করেন। যাঁরা ভক্তদের দীক্ষা দিয়েছেন তাঁরা এই দিনে ভক্তদের দ্বারা পুজিত হন। সেই ঐতিহ্য এখনও বেলুড় মঠে চলে আসছে।












Click it and Unblock the Notifications