Bangla Bandh: বাংলা বনধে ভালো সাড়া উত্তরবঙ্গে, বিক্ষিপ্ত গোলমাল, বাস ড্রাইভারের মাথায় হেলমেট
Bangla Bandh: বিজেপির ডাকা ১২ ঘণ্টার বাংলা বনধে ভালো সাড়া মিলল উত্তরবঙ্গে। রাজ্য সরকারের তরফে সরকারি বাস চলাচল স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা হয় সকাল থেকেই।
বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ হয়। বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ, গোলমালের খবরও পাওয়া যাচ্ছে। বিজেপির বিধায়ক, সাংসদরাও পথে নেমেছেন বনধ সফল করার জন্য।

পুরাতন মালদায় পুরানো জাতীয় সড়কে তৃণমূল ও বিজেপির মিছিল মুখোমুখি হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পুলিশের সামনেই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই দলের কর্মীরা। বিজেপির দাবি বেছে বেছে তাদের কর্মী, সমর্থকদেরই আটক করেছে পুলিশ।
সকাল থেকে বাংলা বনধের মিশ্র প্রভাব দেখা যায় শিলিগুড়িতে। প্রতিদিনের মতো সরকারি ও বেসরকারি বাস রাস্তায় নামে। গাড়ি চলাচলও ছিল স্বাভাবিক। তবে বাজারগুলিতে কিছুটা প্রভাব পড়তে দেখা যায় বনধের। অনেক দোকান-পাট বন্ধ। সবজি এবং মাছবাজারগুলিতে অন্যদিনের তুলনায় কম দোকানপাট খুলেছে।
বনধের সমর্থনে রাস্তায় নামলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ। শিলিগুড়ি হিলকার্ট রোডে একটি স্কুল বাসে উঠে বিধায়ক স্কুল ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে আরজি করের ঘটনার সমর্থন করার অনুরোধ জানান। এরপর স্কুলবাস থেকে নেমে যায় স্কুল পড়ুয়ারা।
বালুরঘাট স্টেট বাস স্ট্যান্ডে বিজেপির পিকেটিং শুরু সকাল থেকেই। বনধের বিরোধিতায় পথে নেমেছে তৃণমূলও। বালুরঘাট স্টেট বাস স্ট্যান্ডে পিকেটিংয়ের সময় বিজেপির বালুরঘাট শহর মণ্ডল সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বালুরঘাটে বনধের মিশ্র প্রভাব পড়েছে। শহরে বিজেপির মিছিল বের হয়। দোকানপাট বন্ধ। বেসরকারি বাস বন্ধ থাকলেও, সরকারি বাস চলাচল করছে। বিজেপির কর্মী সমর্থকরা স্টেট বাস চলাচলে বাধা দিতে গেলে, পুলিশ তাঁদের হঠিয়ে দেয়।
উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার বাসগুলির ড্রাইভাররা মাথায় হেলমেট পরে গাড়ি চালাচ্ছেন। বাইরে থেকে ইট-পাটকেল উড়ে আসার আশঙ্কা থাকছেই। সে কারণে ডিপোর নির্দেশে হেলমেট মাথায় পরে বাস চালাতে হচ্ছে। বাস ড্রাইভার মিঠুন দাস বলেন, এর আগে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছিল। তাই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে হেলমেট পরা।
মালদহ শহরের ৪২০ মোড় এলাকায় বিজেপি কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধ্বস্তাধ্বস্তি। আটক করা হয় বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী সুতপা মুখোপাধ্যায়, বিজেপি নেতা অজয় গঙ্গোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজনকে। বনধ সফল করতে রাস্তায় বসে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন তাঁরা। পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়।
ইসলামপুর শিবডাঙ্গিপাড়া দলীয় কার্যালয়ের সামনে পথ অবরোধ করেন বিজেপি কর্মীরা। এরপর পুলিশ এসে বনধ সমর্থনকারীদের সরিয়ে দেয়। এরপর বিজেপি মিছিল শুরু করে রাজ্য সড়ক ধরে । বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, দোকানদারদের হাত জোড় করে দোকান বন্ধ করতে অনুরোধ করেন তাঁরা।
মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের ভালুকা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় বিজেপি সমর্থকের সাথে পুলিশের ধ্বস্তাধ্বস্তি হয়। ভালুকা পুলিশ ফাঁড়ি আইসির সঙ্গে ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি সমর্থকরা।
বিজেপি ও তৃণমূলের মিছিল মুখোমুখি চলে এলে উত্তপ্ত পরিস্থিতি হয় নকশালবাড়িতে। একে অপরের উদ্দেশে স্লোগান চলতে থাকে। শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিজেপির। পাল্টা রাজনীতির অভিযোগ তৃণমূলের।
বনধের প্রভাব পড়েছে দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ারেও। ফাঁসিদেওয়ায় বিজেপি বিধায়ক দুর্গা মুর্মুকে গো ব্যাক স্লোগান দেয় তৃণমূল। ফাঁসিদেওয়ার বিধাননগরে বনধের সমর্থনে বিধাননগর বাজারে গিয়েছিলেন বিধায়ক। পুলিশের উপস্থিতিতে তাঁকে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।












Click it and Unblock the Notifications