বাংলাদেশে সংরক্ষণ নিয়ে আন্দোলনে ভয়াবহ পরিস্থিতি! ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে দেশে ছয় পড়ুয়া
বাংলাদেশে হাসিনার সরকারের চাকরিতে সংরক্ষণ নীতি নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েই পথে নেমেছেন সেখানকার পড়ুয়ারা। বিক্ষোভ আন্দোলনে এদিুন সকাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১০৫। সেখানে ইন্টারনেট এবং সব ধরনের জনসমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। টেলিযোগাযোগ পরিষেবাও ব্যাহত।
ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকার পরেও শুক্রবার পর্যন্ত ঢাকা-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বেগ পেতে হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে বাংলাদেশ জুড়ে কার্ফু জারি করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা নামানো হয়েছে।

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকে ঘিরে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশ। সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। মৃতের সংখ্যা শতাধিক, আহত বহু। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নেমেছে রাস্তায় বাংলাদেশের সেনা। জারি হয়েছে কার্ফু। ইন্টারনেট পরিষেবা ও টেলিযোগাযোগ পরিষেবাও ব্যাহত। বাংলাদেশের এমন ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির জন্য সেখান থেকে ভারতে ফিরছেন এইদেশের পড়ুয়ারা।
জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রায় ৩০০-রও বেশি ভারতীয় পড়ুয়া দেশে ফিরে এসেছেন। ফিরে আসা পড়ুয়াদের মধ্যে বেশিরভাগই ডাক্তারি পড়ুয়া। তাঁদের অধিকাংশই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা,মেঘালয় এবং জম্মু ও কাশ্মীরের বাসিন্দা। জানা গিয়েছে,ত্রিপুরার আগরতলার আখাউরা আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর এবং মেঘালয়ের ডাউকিতে আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর দিয়ে দেশে ফিরেছেন পড়ুয়ারা।
অন্যদিকে শুক্রবারই কোচবিহারের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের মেখলিগঞ্জ গেট দিয়ে বাংলাদেশের রংপুর মেডিকেল কলেজের ৩৩ জন ছাত্রছাত্রী ভারতে প্রবেশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে ছ'জন ভারতীয়,১৮ জন ভুটানের এবং নেপালের ৯ জন পড়ুয়া রয়েছেন।
এদিকে শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি সীমান্ত দিয়ে শনিবার ছয়জন পড়ুয়া দেশে ফিরেছেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও না কোনও কোর্সে ভর্তি হয়েছিলেন তাঁরা। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। যে কারণে ভিন দেশের পড়ুয়ারা আপাতত দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরিস্থিতি আবার স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে ফিরবেন না বলে জানিয়েছেন তাঁরা।












Click it and Unblock the Notifications