Trinamool Congress: একী কাণ্ড! তৃণমূলের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা দলেরই সাত কাউন্সিলরের
Trinamool Congress: পুরসভা ভোটের বছর দুয়েকের মধ্যেই অনাস্থা। দলেরই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা কাউন্সিলরদের। কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ পুরসভার চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা হল অনাস্থা। দলেরই একাধিক কাউন্সিলর অনাস্থা এনেছে বলে জানা যাচ্ছে।
এই পুরসভায় মোট ৯টি ওয়ার্ড রয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যানের বিপক্ষে মুখ খুলেছেন সাত কাউন্সিলর। ইতিমধ্যেই ওই কাউন্সিলররা পুরসভার চেয়ারম্যান প্রতি অনাস্থা লিখিত আকারে পেশ করেছেন মহকুমা শাসক অতনু কুমার মণ্ডলের কাছে। মহকুমা শাসক জানিয়েছেন, এই অনাস্থার ব্যাপারে আইন মেনে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে (Trinamool Congress) ।

মেখলিগঞ্জ পুরসভার ৯ টি আসন অর্থাৎ সবকটি আসন রয়েছে তৃণমূলের (Trinamool Congress) দখলে। এই পুরসভার চেয়ারম্যান হলেন কেশব দাস। তাঁর বিরুদ্ধে যে কাউন্সিলররা অনাস্থা এনেছেন, তাঁরা হলেন, পুরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কৃষ্ণা বর্মন, ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ভারতী বর্মন, ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলু বর্মন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রঞ্জিত রায়, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সোমা ভৌমিক, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রভাত পাটনী এবং ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দুলাল দাস।
শনিবার বিকেলে মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে নিজেদের অনাস্থার কথা জানিয়ে এসেছেন। পুর প্রধানের জন্যই নাকি কাজ করতে পারছেন না কাউন্সিলররা, এমনই অভিযোগ তুলেছেন তাঁরা। তাঁরা বলছেন, চেয়ারম্যান তাঁদের না জানিয়েই সিদ্ধান্ত নেন।
অনাস্থা যে হচ্ছেই, তা মোটামুটি স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। প্রত্যেকে নিজস্ব ভোট দেবেন, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে। তৃণমূল কাউন্সিলরদের (Trinamool Congress) দাবি, চেয়ারম্যানের জন্য যে শুধু তাঁরা সমস্যায় পড়ছেন তাই নয়, সমস্যায় পড়ছেন পুর এলাকার বাসিন্দারা।
কয়েকমাস আগে একইভাবে অনাস্থা আনা হয়েছিল কাঁথিতে। সুবল মান্নার বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন ১৬ জন কাউন্সিলর। প্রকাশ্যে শিশির অধিকারীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করতে দেখা গিয়েছিল সুবল মান্নাকে। এরপরই দফায় দফায় বৈঠকে বসেন কাউন্সিলররা। পরে অনাস্থা আনা হয়। মেখলিগঞ্জেও কি এবার দেখা যাবে একই ছবি?












Click it and Unblock the Notifications