CBI Raid: কোথায় জাফিকুল? লাখ লাখ টাকাই নয়, বিধায়কের বাড়িতে আরও কী পেল সিবিআই
CBI Raid: রাত অনেকটাই হয়েছে! গ্রামের খোলা আকাশে সেই সময় হিম পড়ছে। আর এই সময় প্রায় শুকনো মুখে ডোমকলের বিধায়ক জাফিকুল ইসলামের "প্রাসাদ" ছেড়ে বেড়িয়ে গেলেন কেন্দ্রের গোয়েন্দা বাহিনী সিবিআই আধিকারিকরা। সঙ্গে নিয়ে গেলেন একেবারে ট্রলি ভর্তি ২৮ লক্ষ টাকারও বেশি টাকা। একই সঙ্গে লক্ষাধিক টাকার গয়নাও উদ্ধার হয়েছে।
তবে একেবারে কাপড়ে মোড়া বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে এদিন সন্ধ্যায় বিধায়কের বাড়ি ছাড়েন সিবিআই আধিকারিকরা। তবে ওই নথিতে কি আছে স্পষ্ট নয়। আজ বৃহস্পতিবার ডোমকলের তৃণমূল বিধায়কের বাড়িতে হঠাত করেই পৌঁছে যান সিবিআই। বাড়ির পাশাপাশি বিএড, ডিএলএড কলেজেও চলে তল্লাশি।

যে সময়ে এই তল্লাশি চলছে তখন কলকাতাতে বিধায়ক জাফিকুল ইসলাম। তবে দুপুরের পর থেকে বিধানসভায় তাঁকে দেখা যায়নি বলেই খবর। মনে করা হয়েছিল, বাড়ি ফিরছেন জাফিকুল ইসলাম। তবে শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রের গোয়েন্দা বাহিনীকে মুখই দেখালেন না বিধায়ক।
কিন্তু কেন? খোঁচাটা থেকেই গেল ডোমকলবাসীর কাছে। যা শুনে তৃণমূলের বহরমপুর-মুর্শিদাবাদ সংগঠনের জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার বলছেন, "জাফিকুল একজন ব্যবসায়ী। তাঁর বাড়িতে ২৮-৩০ লক্ষ টাকা পাওয়া যেতেই পারে। "
অন্যদিকে প্রায় ৮ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানোর পর বড়ঞার কুলিতে ব্যবসায়ী বাড়ি ও কলেজ থেকেও বেড়িয়ে যান সিবিআই আধিকারিকেরা।
সিবিআই সূত্রে খবর, এদিন তারা কিছু ওএমআর সিট, ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও সজল আনসারির ভাই এর একটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়। সকাল ৯টা থেকে বড়ঞার বাসিন্দা সজল আনসারির বাড়িতে হানা দেয় সিবিআই দল। সেখানে তার বাড়িতে তল্লাশি শুরু হয়। দুপুরে আখেরদিঘী এলাকায় বিএড কলেজে হানা দেয় সিবিআই এর দল।
বাড়িতে তল্লাশির পাশাপাশি বিএড কলেজেও দিনভর তল্লাশি চালানো হয়। কলেজে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় সজল আনসারির ভাই চঞ্চল আনসারিকে। কিছুক্ষন পর কলেজে নিয়ে আসা হয় সজল আনসারির বাবা আনারুল আনসারিকেও। কলেজ ও বাড়িতে টানা তল্লাশি চালানোর পর ৫টা নাগাদ দুই জায়গা থেকেই বেড়িয়ে যান সিবিআই দল।
সিবিআই সূত্রে খবর এখান থেকে ওএমআর সিট, ব্যঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য ও সজল আনসারির ভাই এর একটি মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications