অভিষেকের নির্দেশ মেনে পঞ্চায়েত প্রধানের ইস্তফা, ভুল তথ্যের দাবিতেও আনুগত্য প্রদান
অভিষেকের নির্দেশ মেনে পঞ্চায়েত প্রধানের ইস্তফা, ভুল তথ্যের দাবিতেও আনুগত্য প্রদান
নদিয়ার রানাঘাটের মঞ্চ থেকে কাজ না করা পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পাঠানো প্রতিনিধির রিপোর্টের ভিত্তিতে তাতলা এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানকে ইস্তফার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে ইস্তফা
সেই নির্দেশ মোতাবেক পঞ্চায়েত প্রধান ইস্তফা দিয়ে দিলেন এদিন। কিন্তু ইস্তফা দিলেও তিনি নিজের দাবিতে অনড়। তাঁর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে। তিনি গ্রামে যাননি, এ তথ্য একেবারে ঠিক নয়। তবু দলের অনুগত সৈনিক হিসেবে ইস্তফা দিচ্ছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মেনে।

বিডিও কাছে নিজের ইস্তফাপত্র পেশ রবিবারই
তিনি বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর সম্বন্ধে ভুল তথ্য পরিবেশন করা হয়েছে। তবু তিনি বিতর্ক না বাড়িয়ে বিডিও কাছে নিজের ইস্তফা পত্র জমা দিয়ে আসেন রবিবারই। উল্লেখ্য, সোমবারের মধ্যে তাঁকে ইস্তফা প্রদানের নির্দশ দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অনুগত সৈনিকের মতো নির্দেশ পালন প্রধানের
অভিষেক নির্দেশ দেওয়ার পর কালবিলম্ব না করেই বিডিও কাছে গিয়ে তাতলা এক নম্বর পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন পার্থপ্রতিম দে। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তিনি মানতে নারাজ। এবং তা ভুল বলে দাবি করতেও তিনি পিছপা নন। তিনি অভিষেকের সভায় উপস্থিতও ছিলেন না। তবে অনুগত সৈনিকের মতো তিনি নির্দেশ পালন করলেন।

আপনার প্রধান থাকার অধিকার নেই!
পঞ্চায়েত প্রধানের উদ্দেসে এদিন রানাঘাটের জনসভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পার্থপ্রতিম দে, আপনি কান খুলে শুনে রাখুন, মানুষ সার্টিফিকেট দিলে আপনি প্রধান, না বলে নন। ৪ বছরে যদি একবারও না যান, আপনার প্রধান থাকার অধিকার নেই

ব্লক সভাপতিদেরও একহাত অভিষেকের
এরপর অভিষেক সোমবারের মধ্যে পদত্যাগপত্র তাঁর কাছে পাঠিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। তারপর তিনি ব্লক সভাপতিদেরও একহাত নেন। তিনি বলেন, যেখানে যেখানে প্রধানের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেখানে তার প্রভাব ব্লক সভাপতিদের উপরেও পড়বে। তাঁরাও সাবধান হন। এখন থেকে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করুন, তাদের পাশে থাকুন।

চাকদা ক্রস করার সময় মহানালা গ্রামে অভিযোগ
অভিষেক বলেন, আমি রানাঘাটের জনসভায় আসার সময় যখন চাকদা ক্রস করছিলাম তখন মহানালা গ্রামের একদল আমার কাছে অভিযোগ করে, তাদের গ্রামে কোনও উন্নয়ন হয়নি। তাদের কাছ থেকে জানতে পারি প্রধান গ্রামে যাননি চার বছর। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সেই তাতলা গ্রাম পঞ্চায়েক প্রধান পার্থপ্রতিম দে কি আছেন? '

চার বছর প্রধানের দেখা নেই!
তারপর নিজেই অভিষেক সেই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, চার বছর প্রধানের দেখা নেই, সেই প্রধান এখানে থাকবেন কেন? কোন সাহসে তিনি এখানে থাকবেন। এরপর পার্থপ্রতিম দে এদিন ইস্তফা দিয়ে বলেন, যে সংসদের কথা বা হচ্ছে, সেখানেই সবথেকে বেশি উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু ওনার কাছে যে তথ্য গিয়েছে, সেখানে সঠিক তথ্য পাঠানো হয়নি।












Click it and Unblock the Notifications