'খুব শীঘ্রই উনি প্রাক্তন হয়ে যাবেন', কৃষ্ণনগর থেকেই 'টার্গেট ফিক্সড' করে দিলেন শুভেন্দু
নদিয়ায় দাঁড়িয়ে ফের একবার তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দু অধিকারীর। পরিবার ইস্যুতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতাকের আক্রমণ।
নদিয়ায় দাঁড়িয়ে ফের একবার তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দু অধিকারীর। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। বাংলা থেকে ২৫ টি আসন জয়ের টার্গেট নিয়েছে বিজেপি। আর তা বাস্তব করতে কার্যত ঝাঁপিয়ে পড়েছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব। আর এর মধ্যেই আজ বৃহস্পতিবার বাংলায় এসে শুভেন্দু-সুকান্তদের বাড়তি অক্সিজেন দিয়ে গেলেন জেপি নাড্ডা। শুধু তাই নয়, চোরেদের জেলে ভরতে বাংলার মানুষ পদ্মচিহ্নে ভোট দেওয়ার আবেদন জানালেন তিনি। নাড্ডা বলেন, বাংলার এমন অবস্থা দেখে তাঁদের খারাপ লাগে।

এখনও পর্যন্ত দুটি রাজ্যে রয়ে গিয়েছে
অন্যদিকে এদিন কড়া ভাষায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কার্যত হুঁশিয়ারি দেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, দেশে নরেন্দ্র মোদী আসার আগে দেশে ভোট হত জাতপাত, পরিবারবাদ এবং তোষণের ভিত্তিতে। কিন্তু নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী আসার পর থেকে এই সব খত্রম করেছে দিয়েছে বলে দাবি বিরোধী দলনেতার। তবে তাঁর মতে, এখনও পর্যন্ত দুটি রাজ্যে রয়ে গিয়েছে। একটা হচ্ছে তেলেঙ্গানা এবং অন্যটি পশ্চিমবঙ্গ। এই বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে বিরোধী দলনেতার মন্তব্য, তেলেঙ্গানাতে পরিবারবাদ এবং তুষ্টিকরণে রাজনীতি চলে। তবে গনতন্ত্রিক ভাবে কেসিআর এবং আসাদউদ্দিন ওয়াইসিকে খতম করতে হবে বলে মন্তব্য শুভেন্দুর।

কৃষ্ণনগরের সাংসদকেও আক্রমণ শানান তিনি
এখানেই শেষ নয়, বাংলার প্রসঙ্গ টেনে তাঁর দাবি, পরিবারবারবাদ, তুষ্টিকরণ, কাটমানি, সিন্ডিকেট এবং তোলাবাজি চলছে। আর এই বাংলা থেকেও পরিবারবাদ-তুষ্টিকরণের রাজনীতি শেষ করতে হবে। সবাই তৈরি তো? কার্যত ওই মঞ্চ থেকেই টার্গেট বেঁধে দিলেন বিরোধী দলনেতা। একই সঙ্গে নাম না করে এদিন কৃষ্ণনগরের সাংসদকেও আক্রমণ শানান তিনি। বলেন, এই সভা থেকে মনে হচ্ছে খুব শীঘ্রই কৃষ্ণনগরের সাংসদ প্রাক্তন হয়ে যাবেন। সংসদে এই সাংসদ কৃষ্ণনগরের কথা বলেন না। রাশিয়া-ইউক্রেন, আমেরিকা এবং জার্মানির কথা বেশি বলেন বলেও কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর। শুধু তাই নয়, এই সাংসদ জাতীয় সংবাদমাধ্যমে মা কালীকে অপমান করেছেন। ফলে তাঁকে হারানোর ডাক দেন তিনি।

পালটা তোপ দেগেছেন কুণাল ঘোষ
তবে পরিবারবাদ ইস্যুতে তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে গিয়ে পালটা তোপ দেগেছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, শুভেন্দু অধিকারীর মুখে পরিবারবাদের কথা মানায় না। বাবা শিশির অধিকারী কেন্দ্রীয়মন্ত্রী সাংসদ ছিলেন। শুভেন্দু কখনও সাংসদ-বিধায়ক হয়েছেন। এমনকি ভাই সৌমেন্দু সাংসদ। আরেক ভাই পুরসভার চেয়ারম্যান। এছাড়াও সমস্ত ক্ষেত্রে অধিকারীরাই ছিলেন বলে কটাক্ষ তৃণমূল নেতার। শুধু তাই নয়, অধিকারী প্রাইভেট লিমিটেড একটা সময় পূর্ব মেদিনীপুরে কাউকে উঠতে দেয়নি বলেও অভিযোগ কুণালের। ফলে সেকিভাবে পরিবারবাদের কথা বলছেন? প্রশ্ন তাঁর। এছাড়াও গ্রেফতারি থেকে বাঁচতে শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলেও কটাক্ষ কুণালের।












Click it and Unblock the Notifications