সংঘাত আরও চরমে, কৃষকদের সমর্থনে শক্তি বাড়িয়ে সরকারকে সময়সীমা দিলেন কুস্তিগীররা
আন্দোলনের ১৫তম দিনে এসে কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাত আরও বাড়ল কুস্তিগীরদের। ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এবার সরাসরি সময়সীমা বেধে দেওয়া হল আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে।
রবিবার যন্তর মন্তরে কৃষকদের সঙ্গে নিয়ে মহা পঞ্চায়েত সমাবেশ আয়োজন করেন কুস্তিগীররা। সকালেই যন্তর মন্তরে ভারতীয় কিসান মোর্চা উগ্রহন-র নেতারা পৌঁছে যান। জাতীয় কুস্তি সংস্থার প্রেসিডেন্ট তথা বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের গ্রেফতারির দাবিতে আন্দোলনকে শক্তিশালী করতে সাক্ষী-বজরংদের সঙ্গে যোগ হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানের কৃষকরা।

কুস্তিগীদের সমর্থনে ধরনা মঞ্চে আসেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন আরও কৃষক নেতা হান্নাম মোল্লা।রাকেশ টিকায়েত ঘোষণা করেন, 'এটা আমাদের সামাজিক দায়িত্ব কুস্তিগীরদের পাশে থাকা। ব্রিজ ভূষণ দোষী না নির্দোষ সেটা আদালতে বিচার হবে। কিন্তু যৌন হেনস্থার মতো গুরুতর অভিযোগ যখন উঠেছে তখন পুলিশের উচিত তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।'
খাপ পঞ্চায়েত প্রধান সুরেন্দ্র সোলাঙ্কি কুস্তিগীরদের সঙ্গে আলোচনার পর বলেন, 'আজ কৃষক সভা, কুস্তিগীরদের সঙ্গে খাপ পঞ্চায়েত সদস্যদের আলোচনা হয়েছে। আমরা সরকারকে ১০ দিন সময়সীমা দিচ্ছি। এরমধ্যে ব্রিজ ভূষণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আন্দোলনের ব্যাপকতা আরও বাড়বে।'
রবিবার সকাল থেকে আন্দোলনকে সমর্থন জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসেন কৃষকরা। তাদের সঙ্গে রয়েছেন প্রতিবাদী কুস্তিগীর বজরং পুনিয়া। রবিবার মহাপঞ্চায়েত উপলক্ষ্যে আন্দোলনে সামিল হন মহিলারা। তাঁদের রয়েছেন সাক্ষী মালিক।

যদিও যার বিরুদ্ধে অভিযোগ সেই ব্রিজ ভূষণ ফের বলেন, 'আমার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগও প্রমাণিত হলেও আমি ফাঁসিতে ঝুলব। বিষয়টি দিল্লি পুলিশের অধীনে, তাই আমি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারব না। কুস্তির সাথে যুক্ত যে কাউকে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা উচিত।"













Click it and Unblock the Notifications