Paris Olympics: ৫ কোটি টাকা সঙ্গে ফ্ল্যাট, রাজ্য সরকারের থেকে বিরাট প্রত্যাশা পদকজয়ী স্বপ্নিলের বাবার
কয়েক মাস আগেই প্যারিস অলিাম্পিক্সে পদক জিতেছেন স্বপ্নিল কুসালে। পদক জয়ের পরই জীবন বদলে গিয়েছে স্বপ্নিলের। রেলে চাকরিতে পদোন্নতির পাশাপাশি মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকেও পুরস্কার দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু মহারাষ্ট্র সরকারের পুরস্কারের খুশি নন স্বপ্নিলের বাবা। তিনি রাজ্য সরকারের নীতি নিয়েই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
১৯৫২ সালে কেডি যাদবের পর স্বপ্নিল দ্বিতীয় ক্রীড়াবিদ যিনি মহারাষ্ট্র থেকে অলিম্পিক্সকে পদক জয় করলেন। এরজন্য রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে তাঁকে আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করা হয়। কিন্তু রাজ্য সরকারের পুরস্কারে খুশ নন স্বপ্নিলের বাবা সুরেশ কুসালে। তিনি দাবি জানিয়েছেন হরিয়ানা সরকারের মতোই পুরস্কার দেওয়ার সঙ্গে একটি ফ্ল্যাটের।

এখানেই থেমে না থেকে বৈষম্যের অভিযোগেও সরব হয়েছেন স্বপ্নিলের বাবা। তাঁর কথায়, 'স্বপ্নিল এই রাজ্যের দ্বিতীয় অলিম্পিক্স পদক বিজেতা। তাঁর প্রাপ্তি মাত্র ২ কোটি টাকা। স্বপ্নিল সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছে বলেই কি এই বৈষম্য? আজ যদি কোনও বিধায়ক বা মন্ত্রী পুত্র এই পদক জিততন তাহলেও কী একই পুরস্কার মূল্য থাকত? আমি যদি জানতাম এমন বৈষম্য হবে তাহলে আমার ছেলেকে অন্য খেলায় কেরিয়ার গড়তে বলতাম।'
এর পাশাপাশি সুরেশ কুসালে আরও দাবি করেছেন, 'স্বপ্নিলের ৫ কোটি টাকা পাওয়া উচিত, একই সঙ্গে পুণের বালেওয়াড়ি স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে একটা ফ্ল্যাট। যাতে সেখান থেকে সহজেই সে অনুশীলনে যেতে পারে।'
মহেন্দ্র সিং ধোনি সঙ্গে অলিুম্পিক্সে পদকজয়ী শ্যুটার স্বপ্নিল কুসালের মিল রয়েছে। ধোনি যেমন ভারতীয় রেলের টিকিট পরীক্ষক ছিলেন, তেমনই ছিলেন স্বপ্নিলও। অলিম্পিক্সে পদক জিতে রাতরাতি তারকা হয়ে উঠেছেন স্বপ্নিল। কিন্তু গত ৯ বছর ধরে রেলের চাকরিতে তাঁর কোনও পদোন্নতি হয়নি।
যদিও অলিম্পিক্সে ব্রোঞ্জ জয় ২৮ বছর বয়সী স্বপ্নিল কুসালের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত মাইলফলক। এই সাফল্যের পর চাকরিতে পদোন্নতি হয়েছে তাঁর৷ স্বপ্নিল ২০১৫ সাল থেকে ভারতীয় রেলওয়ের ট্রাভেলিং টিকিট পরীক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হয়েছেন৷ এই সময়ের মধ্যে বেশ কয়েকবার পদোন্নতির জন্য তাঁর অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে৷ কিন্তু এবার তিনি অফিসার অন ডিউটি হয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications