দেশের ক্রীড়ানীতি লঙ্ঘন! কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রকের শাস্তির কোপে পড়ল কোন কমিটি?
Sports Ministry Suspends Paralympic Committee: বিশ্ব দরবারে দেশকে গৌরবান্বিত করেন প্যারা-অ্যাথলিটরা। তবে তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে এবার চিন্তা বাড়ল।
ভারতের প্যারালিম্পিক কমিটিকে সাসপেন্ড করল কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক। সংস্থার নির্বাচন করতে গড়িমসি দেখেই এই পদক্ষেপ।

কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রকের তরফে বিবৃতিতে জানিয়েছে, প্যারালিম্পিক কমিটি ২৮ মার্চ সংস্থার নির্বাচন ঘোষণা করেছে। ফলে ক্ষমতাসীন এগজিকিউটিভ কমিটির মেয়াদ ফুরানোরও ২ মাস পরে এই নির্বাচন হবে। যা দেশের স্পোর্টস কোড বা ক্রীড়ানীতি লঙ্ঘন করছে বলেই জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক।
২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতের প্যারালিম্পিক কমিটির সর্বশেষ নির্বাচনটি হয়েছিল। যদিও সেই নির্বাচনের নির্দেশিকার পাশাপাশি দিল্লি হাই কোর্ট ভোটের ফলাফল ঘোষণার উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ফলে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা যায়নি। এরপর ২০২০ সালের ২৭ জানুয়ারি নির্বাচনের ফল ঘোষণার নির্দেশ দেয় আদালত।
এরপরই আদালতের নির্দেশ মেনে নির্বাচনের ফল ঘোষণা করা হয় ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি। সেই মোতাবেক গত ৩১ জানুয়ারি এগজিকিউটিভ কমিটির চার বছরের মেয়াদকাল ফুরিয়েছে। দেশের ক্রীড়ানীতি অনুযায়ী, এই মেয়াদ ফুরানোর আগেই নতুন এগজিকিউটিভ কমিটি গঠনের জন্য নির্বাচন হওয়ার কথা।
ভারতের প্যারালিম্পিক কমিটি গত ২২ জানুয়ারি ঘোষণা করে নির্বাচন হবে বেঙ্গালুরুতে, মার্চের ২৮ তারিখ। ফলে পুরানো ও নতুন কর্মসমিতির মধ্যে ২ মাসের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে, যা বাঞ্ছনীয় নয়। এই ঘটনা প্যারালিম্পিক কমিটির সংবিধানের যেমন পরিপন্থী, তেমনই মানা হচ্ছে না দেশের ক্রীড়ানীতিতে উল্লিখিত নিয়মাবলিও।
কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রক নিশ্চিতভাবেই জানিয়েছে, প্যারালিম্পিক কমিটি অব ইন্ডিয়া নির্বাচন কখন করা উচিত, সেই নিয়ম সম্পর্কে ওয়াকিবহাল। তা সত্ত্বেও মার্চে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবেই তা করা হয়েছে, কোনও যুক্তিগ্রাহ্য কারণ ছাড়াই। এই ঘটনা গুড গভর্ন্যান্সের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ও নীতির পরিপন্থী। বিভিন্ন ক্রীড়া সংস্থায় স্বচ্ছতায় বজায় রাখা, গুড গভর্ন্যান্সকে অগ্রাধিকার দিয়েই যে এই কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়া মন্ত্রকের বিবৃতিতে।












Click it and Unblock the Notifications