National Games: সোনা জিতেও বঞ্চিত প্রণতি, বাংলায় জিমন্যাস্টিক্সের পরিকাঠামোর বেহাল অবস্থা নিয়ে সরব ঋতুরা
সদ্য সমাপ্ত জাতীয় গেমসে বিরাট সাফল্য পেয়েছে বাংলা। এবার রেকর্ড সংখ্যক পদক জিতেছেন বাংলার ক্রীড়াবিদরা। এবারের জাতীয় গেমস থেকে বাংলার সবচেয়ে বেশি ১২টি পদক এসেছে জিমন্যাস্টিক্সে থেকে। পাঁচটি করে সোনা ও রুপো এবং ২টি ব্রোঞ্জ। এবার জিমন্যাস্টিক্সে উজ্জ্বল পারফরম্যান্স করছেন বঙ্গ কন্যা প্রণতি দাস। দলগত ও ব্যক্তিগত ইভেন্ট মিলে এই মুহূর্তে তার ঝুলিতে তিনটি স্বর্ণ ও একটি রৌপ্য পদক।
চোট আঘাতের সমস্যাকে সঙ্গী করেই এবার জাতীয় গেমসে অংশগ্রহণ করেন প্রণতি দাস। চোট আঘাত থেকে শুরু করে অনেক প্রতিকূলতা ছিল কিন্তু সেই সব কিছুকে দূরে ঠেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের প্রণতি দাস বাংলার মুখ উজ্জ্বল করেছেন। সেই সঙ্গে প্রমাণ করেছেন এই মুহূর্তে দেশের অন্যতম সেরা জিমন্যাস্ট তিনি। কিন্তু জাতীয় গেমসে সাফল্যের পর বঞ্চনার অভিযোগ করলেন বাংলার এই জিমন্যাস্টিক্স তারকা।

ওয়ান ইন্ডিয়াকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে প্রণতি বলেন, আমি চোট নিয়ে লড়ে যাচ্ছি গত ১০ বছর ধরে। আমার লক্ষ্য ছিল আরও ভালো ফল করা। কিন্তু কিছু কারণে আমার মনে ভেঙে গিয়েছে। আমাকে যদি দিনের পর দিন আন্তর্জাতিক ইভেন্টে না নিয়ে যাওয়া হয় তাহলে আমি লক্ষ্য নিয়ে পরিশ্রম করব।
প্রণতি আরও বলেন, সবাই জানে আমি কতগুলি সোনা জিতেছে কেমন পারফরম্যান্স করেছি জাতীয় গেমসে। এরপর বিশ্বকাপের জন্য জন্য নাম পাঠানো হচ্ছে তখন আমার নামটা সরিয়ে বাংলার কেউ অন্য একজনের নাম ঢুকিয়ে দিচ্ছেন। এই রাজনীতি তো হতেই থাকছে, এর জন্য আমি কী করব। আমি আমার সেরাটা দিচ্ছি্।
এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বেঙ্গল অলিম্পিক সংস্থার অন্যতম কর্তা জহর দাস বলেছেন এটা জিমন্যাস্টিক্স সংস্থার বিষয় কেন ওর নাম পাঠানো হয় না সেটা ওনারাই বলতে পারবেন তবে আমাদের কাছে এই বিষয়ে কোন সাহায্য চাইলে অবশ্যই আমরা তা করতে পারব।
প্রণতি দাস, ঋতু দাস, সাহিনা গুপ্তরা জিমন্যাস্টিক্সের সাফল্য পেলেও বাংলায় সেভাবে এই খেলাটির কোনও পরিকাঠামোই নেই। উপযুক্ত কোন ম্যাট নেই নেই আধুনিক কোন পরিকাঠামো এবং সুযোগ-সুবিধাও খুবই কম। সোনা জয়ী জিমন্যাস্ট ঋতু দাস বলেছেন আমরা যেখানে অনুশীলন করেন করি সেখানে উপযুক্ত কোন ম্যাট নেই। পাশাপাশি বিমটা ভেঙে গিয়েছে, এখানে সাই ছাড়া অন্য কোথাও পরিকাঠামো নেই কিন্তু সাইতে সবাই সুযোগ পান না অনুশীলন করার জন্য।
এই পরিস্থিতিতে বিওএ কর্তা বিশ্বরূপ দে জানিয়েছেন।, আমি বাংলার শেফ দ্য মিশন হিসেবে উত্তরাখান্ডে গিয়েছিলাম। আমি এরপর একটি রিপোর্ট দেব বিওএকে সেই সঙ্গে সরকারের কাছেও বিশেষ কতগুলি জায়গা সুপারিশ করব আমাদের এখানে কোথায় কোথায় খেলাধুলার পরিকাঠামো সমস্যা রয়েছে সেই বিষয়গুলি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করারও চেষ্টা করব।












Click it and Unblock the Notifications